“কাঞ্চনের ছেলেকেও তো আমার মেয়ের মতো দেখতে… প্রথম সন্তানকে ভালোবাসে না একজন পি’শাচ!” “ও শুধু মেয়ের নয়, ছেলেরও দায়িত্ববান বাবা” সমান ভালোবাসার দাবি শ্রীময়ীর! ছেলেকে সত্যিই সমানভাবে আগলে রাখেন অভিনেতা, নাকি কথাতেই সীমাবদ্ধ দায়িত্ব? সমাজমাধ্যমে উঠছে প্রশ্ন!

বিনোদন জগতে তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ চিরকালীন। কখনও তাঁদের একটিমাত্র মন্তব্য ভক্তদের মন ছুঁয়ে যায়, আবার কখনও তা তীব্র বিতর্কের জন্ম দেয়। সম্পর্ক, সন্তান, পরিবার—সবকিছুই যেন জনসমক্ষে খোলা খাতার মতো। ফলে তারকাদের প্রতিটি কথা, প্রতিটি ইঙ্গিতই হয়ে ওঠে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

বাংলার বিনোদন জগতের পরিচিত জুটি কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজও প্রায়ই কটাক্ষের মুখে পড়েন। তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা মন্তব্য, ট্রোলিং, প্রশ্ন—সবই চলতে থাকে। তবুও এই জুটি নিজেদের অবস্থানে অটল থেকেছেন এবং সময়ে সময়ে নিজেদের বক্তব্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে একসঙ্গে দেখা যায় কাঞ্চন ও শ্রীময়ীকে। সেখানে শ্রীময়ী জানান, কাঞ্চনের মেয়ের প্রতি যেমন গভীর ভালোবাসা, ঠিক তেমনই তাঁর ছেলের প্রতিও সমান স্নেহ রয়েছে। কয়েকদিন আগে কাঞ্চনের স্মৃতিচারণে তাঁর ছেলের ছোটবেলার একটি ছবি সামনে আসে। মজার বিষয়, ছোটবেলায় তাঁর মেয়ে ও আগের পক্ষের ছেলে এতটাই একরকম দেখতে ছিল যে ছবিটি দেখে প্রথমে খানিক বিভ্রান্তিই তৈরি হয়। সেই ছবিটিই নাকি কাঞ্চন শ্রীময়ীকে দেখিয়ে পুরনো দিনের কথা শেয়ার করছিলেন।

সাক্ষাৎকারে কাঞ্চন নিজেও বলেন, তিনি শুধু একজন অভিনেতা নন, একজন বাবা হিসেবেও নিজের দায়িত্ব পালন করতে সচেষ্ট। তাঁর কথায়, “আমি আমার ছেলের বাবা, আবার মেয়েরও বাবা—দুই দিকেই ভালো থাকার চেষ্টা করি।” তবে এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। এক পর্যায়ে মেয়েকে ঘিরে একটি উদ্বেগজনক ঘটনার কথাও তুলে ধরেন।

আরও পড়ুনঃ “আমাকে ‘জোকার’ বলা গুনন্যা, নিজে একটা জ্যান্ত…” কটাক্ষের পালটা দিতে অনন্যাকে সরাসরি টার্গেট স্যান্ডির! জোকার সেজে, রাস্তায় প্রকাশ্যে কৌতুক ভিডিও ঘিরে ফের তোলপাড়!

সাক্ষাৎকারের শেষ অংশে কাঞ্চন নিজের বাবা সত্তাকেই যেন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিলেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, একজন অভিনেতা হিসেবে যতই ব্যস্ততা থাকুক, সন্তানদের ক্ষেত্রে তিনি কখনও দায়িত্ব এড়িয়ে যান না। মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া সেই অস্বস্তিকর ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর থেকেই তিনি আরও সতর্ক হয়ে উঠেছেন। তাঁর দাবি, একজন বাবা হিসেবে সন্তানের নিরাপত্তা, খাবারদাবার থেকে শুরু করে মানসিক স্বস্তি—সবকিছুর দিকেই নজর রাখেন তিনি। নিজের কথায়, “বাবা হিসেবে আমি কখনও ফাঁকি দিই না।” তবে এখানেই থামেনি আলোচনা। নেটদুনিয়ার একাংশের প্রশ্ন—যদি মেয়ের ক্ষেত্রে এতটাই দায়িত্বশীল হন, তবে ছেলের ক্ষেত্রেও কি একইভাবে সবটা সামলান? সেই নিয়েই আবার নতুন করে কটাক্ষ শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

You cannot copy content of this page