রাজ্যের রাজনীতি এবং টলিউড তারকাদের উপস্থিতিতে সম্প্রতি এক জমজমাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি। অনুষ্ঠানের পরিবেশ ছিল একেবারেই প্রাণবন্ত। হাসি, আড্ডা আর খোলামেলা কথোপকথনের মধ্যেই অতিথিরা একে অপরকে নানা প্রশ্ন করছিলেন। ঠিক সেই সময়ই শ্রাবন্তী একটি প্রশ্ন করেন, যা মুহূর্তের মধ্যে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
অভিনেত্রীর প্রশ্ন ছিল খুবই সহজ কিন্তু কৌতূহলোদ্দীপক। তিনি জানতে চান, এত ব্যস্ততা আর দায়িত্বের মাঝেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এত এনার্জি পান কোথা থেকে। প্রশ্নটি শুনে মুখ্যমন্ত্রী হেসে ফেলেন এবং বেশ স্বতঃস্ফূর্ত ভঙ্গিতেই তার উত্তর দেন। তিনি জানান, এর পিছনে কোনো বিশেষ রহস্য নেই, বরং জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিই মানুষের শক্তির উৎস হতে পারে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ যদি ভালো থাকে এবং মানবিক মানসিকতা বজায় রাখে, তাহলে মন নিজে থেকেই ইতিবাচকভাবে কাজ করে। তাঁর কথায়, মানুষের মনের ভিতরে যদি নেতিবাচকতা না থাকে এবং চিন্তাভাবনা যদি পরিষ্কার হয়, তাহলে সেই ভাবনাই জীবনে শক্তি জোগায়। তখন স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মধ্যে কাজ করার আগ্রহ এবং এনার্জি তৈরি হয়।
আরও পড়ুনঃ “ভারত এখনও অনেকটাই পিতৃতান্ত্রিক!” নারী কণ্ঠ আশ্চর্যজনকভাবে কমে গেছে! আন্তর্জাতিক নারী দিবসে, বৈষম্য নিয়ে মুখ খুললেন শ্রেয়া ঘোষাল!
তিনি আরও বলেন, ইতিবাচক চিন্তা মানুষের জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ। পজিটিভ মানসিকতা থাকলে জীবনের নানা চ্যালেঞ্জ সামলানো অনেক সহজ হয়ে যায়। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে প্রতিদিন অসংখ্য দায়িত্ব সামলাতে হলেও এই ইতিবাচক মানসিকতাই তাঁকে সবসময় সক্রিয় থাকতে সাহায্য করে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।
আলোচনার এক পর্যায়ে অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রলের বিষয়টিও উঠে আসে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই ধরনের কটূক্তি বা সমালোচনার শিকার বিশেষ করে নারীরাই বেশি হন। তবে এসব কথাকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজের লক্ষ্য ও কাজের প্রতি মনোযোগী থাকার পরামর্শ দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের যেমন ভাবিয়েছে, তেমনই সামাজিক মাধ্যমেও তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা।






