“আমার জীবনের নতুন অতিথি…” পয়লা বৈশাখের সাজে নতুন বছরে বড় চমক! অবশেষে পঞ্চম বিয়ের এক মাসের মাথায় মুখ খুললেন সুস্মিতা রায়! জানিয়ে দিলেন কবে আসছে সেই নতুন অতিথি?

বিনোদন জগতকে আমরা যতটা ঝলমলে দেখি, তার আড়ালে লুকিয়ে থাকে অসংখ্য না বলা গল্প। কখনও সেই গল্প সামনে এলে সাধারণ মানুষ অবাক হয়ে যায়, আবার কখনও শিল্পীদেরই হতে হয় কটাক্ষের শিকার। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ব্যক্তিগত জীবন আর ব্যক্তিগত থাকে না, যে কোনও খবর, গুজব কিংবা অর্ধসত্য মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে। আর সেইসব খবরের ভিড়ে অনেক সময় সত্যি আর গুজবের সীমারেখা মুছে যায়। ফলে শিল্পীদের জীবনের নানা দিক নিয়ে তৈরি হয় নতুন বিতর্ক, নতুন আলোচনা।

সম্প্রতি এমনই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিনেত্রী সুস্মিতা রায়। বিয়ের পর থেকেই তাকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় নানা আলোচনা ও কটাক্ষ। অনেকেই দাবি করেছিলেন, তিনি নাকি প্রেগনেন্ট বলেই তড়িঘড়ি বিয়ে করেছেন। এই গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয় বিভিন্ন মহলে। তবে এই বিষয় নিয়ে এতদিন চুপ থাকলেও, অবশেষে মুখ খুললেন অভিনেত্রী। পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিলেন, এসব গুজবের

এদিকে পয়লা বৈশাখে নিজের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সুস্মিতা জানান, তার সময় এখন পুরোপুরি কাজে ভরা। তিনি বলেন, তার কোম্পানি ‘মেডো কার্ড’ নিয়ে তিনি ভীষণ ব্যস্ত। নতুন বছরে তাদের বড় লঞ্চ এবার থেকে দুধ, শাকসবজির পাশাপাশি জিরো প্রিজারভেটিভ মাছ ও মাংসও পাওয়া যাবে। এই পরিষেবা চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে বলেই মনে করছেন তিনি। পাশাপাশি হাবড়া থেকে রুবি পর্যন্ত একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি ওপেনিং রয়েছে, যার জন্য সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তার শিডিউল একেবারে ঠাসা।

সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটি ঘুরছিল, তা হল তার জীবনে কি সত্যিই নতুন কোনও অতিথি আসছে? এই প্রসঙ্গে সুস্মিতা একেবারে অন্য ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, তার জীবনে প্রতিদিনই নতুন অতিথি আসেন তার কোম্পানিতে নতুন কর্মীরা যোগ দেন, যারা প্রথমে অতিথি হিসেবে এলেও পরে পরিবারের অংশ হয়ে যান। অর্থাৎ, ব্যক্তিগত জীবনে নতুন সন্তানের আগমন নিয়ে যে গুজব ছড়িয়েছিল, তা একপ্রকার নস্যাৎ করে দেন তিনি। এই বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি আপাতত নিজের কাজ এবং ক্যারিয়ার নিয়েই বেশি মনোযোগী।

নতুন বছরকে ঘিরে নিজের ভাবনা জানাতে গিয়ে অভিনেত্রী বলেন, তার জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সবসময় পজিটিভ থাকার চেষ্টা করেন এবং সেটাই তার সবচেয়ে বড় রেজোলিউশন। ব্যক্তিগত জীবনে শ্বশুরবাড়ির চাপ নিয়ে তিনি জানান, তিনি ও তার স্বামী একসঙ্গে নিজেদের মতো করে জীবন গড়ছেন, তাই সেই অর্থে কোনও চাপ নেই। রান্না করতে ভালোবাসলেও ব্যস্ততার কারণে সময় পান না, তবে সুযোগ পেলেই পরিবারের জন্য রান্না করেন। নতুন বছরে সবার সুস্থতা কামনা করে তিনি বার্তা দেন, প্রিজারভেটিভ-মুক্ত খাবার খাওয়া এবং ভালো থাকা সবচেয়ে জরুরি।

You cannot copy content of this page