রাজনৈতিক প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছে সকল দলই, আর এর মধ্যে মুর্শিদাবাদেও চলছে জমজমাট প্রচার। আজ, ১৬ এপ্রিল, বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুব্রত মিত্রের সমর্থনে বিশাল রোড শো আয়োজন করা হয়েছিল। এই রোড শোতে উপস্থিত থাকার কথা ছিল অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর, যিনি বিজেপির নেতা হিসেবেও সক্রিয়। কিন্তু রোড শো চলাকালীনই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন মিঠুন। এমন পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি তাঁকে বিশ্রামের জন্য অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, মিঠুনের অসুস্থতার কারণ সম্ভবত অতিরিক্ত গরম। বৃহস্পতিবার, গান্ধী কলোনী সার্কিট হাউজের সামনে শুরু হওয়া রোড শোতে মিঠুন চক্রবর্তী অংশ নেন। তবে মিছিল যখন নতুন বাজার এলাকায় পৌঁছায়, তখনই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেতা। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর মিঠুনকে সেখান থেকে অন্যত্র নিয়ে গিয়ে বিশ্রাম দেওয়া হয়। এই ঘটনায় রোড শো কিছু সময়ের জন্য থেমে গেলেও, পরে মিছিল মিঠুন ছাড়াই চলতে থাকে।
বিজেপি সূত্রে জানানো হয়েছে যে, মিঠুনের অসুস্থতা সাময়িক ছিল এবং দ্রুত তাকে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য কলকাতার দিকে রওনা হতে বলা হয়। মিঠুনের অসুস্থতার খবর শোনা মাত্রই রোড শো এগিয়ে চলে। মিঠুনের অনুপস্থিতিতে দলের অন্যান্য সদস্যরা, বিশেষ করে সুব্রত মিত্র, রোড শো অব্যাহত রাখেন এবং খাগড়া চৌরাস্তার দিকে রওনা হন। তবে, মিঠুনের অসুস্থতা কিছুটা ভেঙে ফেললেও, বিজেপির প্রচারে কোনো বিশেষ প্রভাব পড়েনি।
বহরমপুরের নির্বাচনী লড়াই এবার বেশ উত্তপ্ত। বিজেপি প্রার্থী সুব্রত মিত্রের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী এবং তৃণমূলের নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়। এই তিন প্রার্থীর মধ্যে খুবই কড়া প্রতিযোগিতা চলছে, এবং গত কয়েকদিনে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। মিঠুন চক্রবর্তী নিজেও ওই নির্বাচনী প্রচারে সক্রিয় অংশগ্রহণ করছেন, কিন্তু আজকের এই অসুস্থতার কারণে তিনি প্রচারের মধ্যে থেকে এক ধাপ পিছিয়ে যান।
আরও পড়ুনঃ হয়ে গেল নতুন জুটির ‘লুকসেট’! দীর্ঘ বিরতির পর ছোটপর্দায় ফিরছেন সুস্মিতা দে এবং আদৃত রায়! শীঘ্রই শুরু হবে শুটিং, রয়েছে একাধিক চমকও! কোন চ্যানেলে আসছে এই ধারাবাহিকটি?
তবে, মিঠুনের অসুস্থতার পরেও বিজেপির প্রচার থেমে থাকেনি। রোড শো চলাকালীন দলের কর্মীরা এবং সমর্থকরা মিছিল চালিয়ে যান, তাদের মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাচনী প্রচারে শক্তি প্রদর্শন করা। এই ঘটনাটি যদিও কিছুটা অপ্রত্যাশিত ছিল, তবুও বিজেপি দল তার প্রচার কর্মসূচি চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। সবার মুখে একটাই প্রশ্ন— এই নির্বাচনী লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কে জয়ী হবে, সে বিষয়ে অনেক কিছুই নির্ভর করছে প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রচারের উপর।






