“দু’র্নীতি সামলানোর মেশিনারি কেন্দ্রের হাতে, তা সত্ত্বেও দু’র্নীতি হওয়াটা দুর্ভাগ্যজনক” “আমার পছন্দের রাজনীতিবিদ দিদি, উনি ছাড়া বাংলায় কে আছেন?” ধর্মীয় বিভাজন না, কাজ দিন! ২০২৬-এর বিধানসভা ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে, শক্তিশালী বার্তা দিলেন অভিনেতা ভরত কল!

রাজ্যের বিধানসভা ভোটের আগে অভিনেতা ভরত কল সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমের সাথে কথা বলেছেন। ভোটের বিষয়ে তাঁর মতামত সমাজ ও রাজনীতি নিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিক উন্মোচন করেছে। প্রথম প্রশ্ন ছিল, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি কাকে দেখতে চান? ভরত কল সোজাসুজি উত্তর দেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! এছাড়া কেউ তো নেই!” তাঁর মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই রাজ্য সবচেয়ে ভালো চলছে। এটি যে ভরত কলের ব্যক্তিগত পছন্দ, তা স্পষ্ট ছিল তাঁর উত্তরে।

এই প্রসঙ্গে, তিনি আরো বলেন যে, তিনি দলভিত্তিক ভোট দিলেও, প্রার্থী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বকে তিনি আলাদা করে সমর্থন করেন। এছাড়া, প্রার্থী বাছাইয়ের বিষয়ে ভরত কল বলেন, তিনি মনে করেন যে একজন ভালো প্রার্থী হওয়ার জন্য কোনও বিশেষ প্রশিক্ষণ বা টেনিংয়ের দরকার নেই। বরং, একজন প্রার্থী যদি নিজের এলাকার মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেন, তবেই তিনি সত্যিকার অর্থে ভালো প্রার্থী। এই মন্তব্যে তিনি পরিষ্কার করে জানান যে, একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি হওয়ার জন্য মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ।

যদি তিনি নিজে বিধায়ক হতেন, তবে তিনি নিজের এলাকার স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং রাস্তা উন্নত করার ওপর বেশি গুরুত্ব দিতেন। ভোট প্রচারে শিল্পীদের জন্য ভরত কলের চিন্তা ছিল আলাদা। তিনি বলেন, রাজনীতিতে আসা অভিনেতা-অভিনেত্রীরা শিল্পীদের জন্য কিছু করতে পারেন, বিশেষত আবাসন এবং স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের সুবিধা বৃদ্ধি নিয়ে। এছাড়া, রাজনীতির মাধ্যমে শিল্পীদের যে কষ্টের কথা সামনে আসছে, সেটা তিনি গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরেন। শিল্পী মহলকে রাজনীতি নিয়ে আরও কিছু করার আহ্বান জানান তিনি।

তাঁর মতে, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের যদি শিল্পীদের জন্য কিছু করার সুযোগ হয়, তবে তা অনেক শিল্পীর উপকারে আসবে। ভোটের সুষ্ঠুতা নিয়ে ভরত কল বলেন, দুর্নীতি রোধে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হলেও, যদি তারপরেও দুর্নীতি ঘটে, তবে সেটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি মনে করেন যে, কেন্দ্রীয় বাহিনী থেকে শুরু করে নির্বাচনী প্রক্রিয়া পর্যন্ত সবাইকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। দলবদল এবং অপশব্দের ব্যবহার নিয়ে তাঁর মন্তব্য ছিল আরো দৃষ্টান্তমূলক। তিনি বলেন, “যদি নিয়ম থাকত যে, দল বদলালে একাধিকবার ভোটে দাঁড়ানো যাবে না।

আরও পড়ুনঃ “৬ ঘণ্টার বদলে প্রায় ৯ ঘণ্টার অপারে’শন, এইটুকু না বলে অপা’রেশন থিয়েটারে পাঠানো মনে ঠকানো” ঝুঁকিপূর্ণ অ’স্ত্রোপচারের আগে অনেকেই সত্যিটা আড়াল করেন! সেখানে মাকে সব জানানোর সাহসী সিদ্ধান্ত কন্যাকুমারী মুখোপাধ্যায়ের! মায়ের অসুস্থতা ঘিরে কোন ভয়ংকর অভিজ্ঞতার ভাগ করলেন অভিনেত্রী? এখন কেমন আছেন তাঁর মা?

তবে হয়তো দলবদলের সমস্যা কিছুটা কমত।” ভরত কল শেষে নিজের পছন্দের রাজনীতিবিদদের নামও জানান। তিনি বলেন, “ভারতের সেরা রাজনীতিবিদ ইন্দিরা গান্ধী, লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং জওহরলাল নেহরু।” তাঁর মতে, ভারত যে এই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, তার শিরদাঁড়া ছিলেন এই নেতারা। বাংলার রাজনীতিতে, তাঁর প্রিয় নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও যোগ করেন যে, বিরোধী শক্তির উপস্থিতি জরুরি, কারণ একচ্ছত্রতা কখনোই ভাল ফল দেয় না, বরং ফ্যাসিবাদকে প্ররোচিত করে।

You cannot copy content of this page