জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী বাস্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। বাস্তুর বেশ কিছু টোটকা আছে যা মেনে চললে মনে করা হয় সংসারের সমস্ত অভাব অনটন দূর হয়ে যাবে। আর্থিক অনটন দূর করতে এবং শারীরিক অবস্থা ভালো করতে অনেকে বাস্তু মেনে চলেন। বাস্তু মতে বাড়ির প্রবেশদ্বার এর গুরুত্ব অনেক। সংসারের অভাব দূর করার জন্য বাস্তু মতে প্রবেশদ্বারে এই জিনিসগুলো করুন তাহলে দেখবেন আপনার ভালো হচ্ছে।
বাড়ির প্রবেশদ্বারে রঙ্গোলি আঁকুন। মনে করা হয় যে রঙ্গোলি প্রবেশদ্বারে আঁকলে সেই ঘরে মা লক্ষ্মী আসে। মা লক্ষ্মীর কৃপা পেতে পুজোর সময় প্রবেশদ্বারে রঙ্গোলি আঁকার রীতি প্রচলিত আছে। তবে এবার সারাবছর প্রবেশদ্বারে রঙ্গোলি আঁকুন। এতে মা লক্ষ্মী আপনাকে কৃপা করবেন। বাস্তুমতে ময়দা দিয়ে আঁকা রঙ্গোলি অনেক শুভ। এতে সকল আর্থিক সমস্যা দূর হয়।
রোজ ঘুম থেকে উঠে প্রবেশদ্বার ধুয়ে দেবেন। বাড়ির প্রধান দরজার চৌকাঠে জল দিন। সদর দরজা ধুয়ে দেবেন। এই রীতি যদিওবা বেশ পুরনো। এই রীতি পালন করলে মনে করা হয় মা লক্ষ্মী সংসারে প্রবেশ করেন।
সদর দরজার সামনে একটি উজ্জ্বল আলো রাখবেন। সদর দরজা কখনো অন্ধকার করে রাখবেন না। প্রবেশদ্বার এর উল্টো দিকে কখনো আয়না রাখবেন না।
হিন্দু ধর্মের স্বস্তিক চিহ্ন এর একটি বিশেষ গুরুত্ব আছে। বাড়িতে পজিটিভ শক্তি আনতে সদর দরজার উপর স্বস্তিক চিহ্ন আঁকুন। তবে খেয়াল রাখবেন উল্টোদিক করে স্বস্তিক চিহ্ন এঁকে ফেলবেন না তাহলে বাড়িতে নেগেটিভ শক্তি ঢুকে পড়বে। এই কাজগুলো করুন, দেখবেন আপনার আর্থিক অনটন দূর হয়ে গেছে।






“বিদেশের জীবন বাইরে থেকে যতটা ঝকঝকে লাগে, বাস্তবে ততটা সহজ নয়” “সফল হওয়াটাই সব নয়, যে মানুষগুলো তোমার জন্য জীবন কাটিয়ে দিল তাদের দিকেও তাকাতে হবে” কলকাতা বৃদ্ধাশ্রমে রূপান্তরিত হচ্ছে! নিজের উন্নতিতে যেন বাবা-মায়ের একাকীত্ব লুকিয়ে না থাকে, নতুন প্রজন্মকে কী বার্তা মমতা শঙ্করের?