দীপা, ইরা সব আউট! সূর্যর কাছে এসে উপস্থিত মিশকা! দেখে জ্ঞান হারালো সূর্য! তারপর?

টান টান উত্তেজনা স্টার জলসার (Star Jalsha) ‘অনুরাগের ছোঁয়া’-এ (Anurager Chhowa)। নারী দিবসের অনুষ্ঠানের দিন ভিক্টরের মাথায় গুলি ঠেকিয়ে জেল থেকে পালিয়ে গেছে মিশকা। পারিজাত সেন গাড়ি করে শহরের বাইরে রেখে এসেছে তাকে। জেল থেকে বাইরে এসে মিশকার লক্ষ্য সূর্য। তাই খুঁজে খুঁজে ঠিক সূর্যের কাছে এসে উপস্থিত হয়েছে সে।

এদিকে, অর্জুন আর দীপার বিয়ে রুখতে তৎপর লাবণ্য সেন। তবলাকে নিয়ে তাই সূর্যের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে সে। তার দৃঢ় বিশ্বাস সূর্য এলে সব ঠিক হয়ে যাবে। তার জীবদ্দশায় দীপাকে অন্য কারোর হতে দেখতে পারবেন না তিনি। খুঁজে খুঁজে সূর্যের ঠিকানা পেলেও সূর্য তখন হেলথ সেন্টারে ছিল না। বুধিয়া জানায়, ডাক্তার সাবের ফিরতে ফিরতে সকাল হয়ে যাবে। তারা চাইলে ডাক্তারের ঘরে অপেক্ষা করতে পারে।

অন্যদিকে, রহস্যময়ী ইরা ছলে,বলে, কৌশলে সূর্যকে ফাঁসিয়ে নিয়ে চলেছে তার ডেরায়। কে এই ইরা? কি করে সে? এমন কি রিভলভার অবধি রয়েছে তার কাছে! সূর্যকে ঘিরে কি তার উদ্দেশ্য দর্শক জানে না। তবে এদিন পেনড্রাইভ খোঁজার নাম করে সূর্যকে নিয়ে চলেছে সে। তবে যেখানে বাঘে ভয়, সেখানেই সন্ধ্যে হয়। গাড়ির পিছনের সিট্ থেকে বেরিয়ে আসে মিশকা।

মিশকাকে দেখে সূর্য ভিরমি খেলেও, পর মুহূর্তে নিজেকে সামলে নেয়। সে জানে এত সহজে মিশকা তার পিছু ছাড়বে না। সূর্যকে নিজের করে পাওয়ার আকাঙ্খা পাগল করে তুলেছে মিশকা সেনকে। ইরার কপালে বন্দুক ঠেকাতে পিছপা হয়নি সে। কারণ? সে সূর্যের মুখে তার নাম শুনতে চায়।

মিশকার জেল থেকে পালানোর খবর শুনে অস্থির হয়ে ওঠে সেনগুপ্ত বাড়ির সকলে। ফের ঘোর বিপদ ঘনিয়ে আসছে গোটা পরিবারের উপর। এদিকে ভিক্টরও বেপাত্তা। যদিও মিশকা সেন চলন্ত গাড়ি থেকে ভিক্টরকে ঝাঁপ দিতে বাধ্য করেছে।

আরো পড়ুন: অদ্ভুত কান্ড! দীপাকে অবহেলা, অসম্মান করেও সেরা বর সূর্য! জলসার বিচার দেখে স্তম্ভিত দর্শকরা! আপনাদের কি মত?

হাইওয়ের ধারের কোনো একটা রাস্তার ধারে পড়ে আছে ভিক্টর। তবে বেঁচে আছে না মারা গেছে দেখে বোঝবার উপায় নেই। তবে বাড়ি বয়ে দীপার কাছে এসে অপমান করে যায় কাকীয়া, জয় আর তিস্তা। ভিক্টরের নিখোঁজ হওয়ার খবরে কারোর মাথার ঠিক নেই। সবাই সবাইকে দোষ দিচ্ছে। এই চরম সংকটময় পরিস্থিতিতে, সোনা-রূপাকে বাড়িতে দাদা-বৌদি আর প্রবীরের ভরসায় রেখে ভিক্টরকে খুঁজতে বের হয়ে যায় দীপা, অর্জুন, পৃথা আর খোকা।

You cannot copy content of this page