স্টার জলসার ‘রোশনাই’ (Roshnai) ধারাবাহিকে আরণ্যকের চরিত্র যে প্রতিনিয়ত বিতর্কের কেন্দ্রে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। শুরুতে গরিমার প্রেমিক, তারপর রোশনাইয়ের প্রতি টান, আবার কখনও গরিমার জন্য চিন্তা, রোশনাইয়ের জন্য কান্নাকাটি—এই দ্বিচারিতা দেখে রীতিমত দর্শকদের রোষের মুখে এই ধারাবাহিক! যে চরিত্রটিকে নায়ক হিসেবে দেখা হচ্ছে, এখন তার নাম শুনলেই দর্শকেরা বলছেন, “এই আসল খলনায়ক!”
রোশনাই ও গরিমা, দুই বোনের জীবনেই প্রবল প্রভাব ফেলেছে আরণ্যক, কিন্তু সে নিজেই বুঝতে পারছে না কার জীবনে আদতে তাঁর কি জায়গা। সম্প্রতি জানা গেল রোশনাই আর গরিমা একই মায়ের সন্তান! এতদিন যাকে অবৈধ বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছিল, সেই রোশনাই-ই এখন গরিমার পরিবারের রক্তের সম্পর্কের অংশ। আর এই তথ্য জেনে যেন খুশিতে পাগল আরণ্যক, চোখে মুখে স্পষ্ট!
কারণ এতদিন সে যেটা প্রকাশ্যে করতে পারছিল না, এবার তা করার সুযোগ এসেছে—রোশনাইকে ভালোবাসার ঘোষণা। অথচ কিছুদিন আগেও যে গরিমার চোখে চোখ রেখে প্রেম করেছিল, সেই সম্পর্কের কি কোনও মানে রইল না? এরই মধ্যে নতুন প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, রোশনাই সব কিছু ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আরণ্যক তখন তাকে আটকাতে গিয়ে বলে, হয় এবার তাঁর সঙ্গে শান্তিতে বাঁচবে, না হয় মৃত্যুর পথ বেছে নেবে।
রোশনাই না থাকলে যেন জীবন বৃথা! এখানেই শেষ নয়, সে সোজা গিয়ে পরিবারের সামনে ঘোষণা করে দেয়—সে রোশনাইকে বিয়ে করতে চায়! একদিকে গরিমা কাঁদছে, অন্যদিকে পরিবারের সবাই হতবাক, আর আরণ্যক দাঁড়িয়ে আছেন নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে। কোথাও যেন নায়ক-নায়িকার প্রেম নয়, বরং পরকীয়াই বেশি চলছে। এইসব দেখে দর্শকেরা রীতিমতো ফুঁসছেন।
কেউ লিখেছেন, “গরীমা আর রোশনাইকে একসাথে প্রেগন্যান্ট করবে। এভাবেই আরন্যক সুস্থ ভাবে বাঁচবে!” কেউ আবার বলছেন, “মাঝে মাঝে আমার রোশনাই কে ভিলেন মনে হয়। খুব শান্ত মস্তিষ্কের একজন খেলোয়াড় রোশনাই!” এমনকি অনেকেই এই সিরিয়ালের প্রচার বন্ধের দাবি জানিয়েছেন, বলছেন, “নাটক টা বন্ধ করা উচিত সমাজের উপর প্রভাব ফেলছে চরিত্রহীনা সব নাটক যত্তসব!”
আরও পড়ুনঃ “আমি রাজি ছিলাম না, ওদের সম্পর্ক মানতে পারিনি”— জামাই কাঞ্চনকে নিয়ে মুখ খুললেন শ্রীময়ীর মা! জামাইষষ্ঠীর আগেই কাঞ্চনকে নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করলেন শাশুড়ি!
কেউ তো সোজা সাপ্টা বলেছেন, “পুরাই পরকীয়ার একটা নাটক দেখলেও বিরক্ত লাগে!” সব মিলিয়ে, ‘রোশনাই’ ধারাবাহিকের মূল গল্প এখন আরণ্যকের প্রেমচক্রে আটকে গেছে। কে নায়ক, কে খলনায়ক, তা নিয়েই দর্শকেরা সমাজ মাধ্যমে ট্রোল ঝড় তুলেছেন। এবার প্রশ্ন একটাই—এমন দ্বিচারিতা আর সম্পর্কের অবমাননা আর কতদিন সহ্য করবে দর্শক?






“বিয়ে মানেই তো সিঁদুর-ফিদুর লেবড়ে-লুবড়ে…” বৈবাহিক সম্পর্কের ব্যাখ্যা দিতেই মন্তব্যে বিতর্ক উস্কে দিলেন কৌশিক সেন! ‘জীবনের ব্যাপ্তি শুধু লিভ ইন করলেই?’ ‘সত্যি কী ভাষা আপনার, ছিঃ!’ ‘পাবলিক ফিগার বলেই কি যা খুশি বলবেন?’ যারা শাঁখা-সিঁদুর পরে তাদের অপমানে, অভিনেতাকে ধুয়ে দিলেন ক্ষু’ব্ধ নেটিজেনরা!