দীর্ঘ বিরতির পর পর্দায় প্রত্যাবর্তন মহানায়িকার! তাও আবার নেগেটিভ চরিত্রে! সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়কে খল চরিত্রে মেনে নিতে পারছেন না দর্শকরা!

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ছোট পর্দায় ফিরেছেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী ‘সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়’ (Sabitri Chatterjee) । তবে তাঁর এই প্রত্যাবর্তন দর্শকদের জন্য আনন্দের চেয়ে বিস্ময়ের কারণ হয়েছে বেশি। কারণ, এতদিন যে অভিনেত্রীকে মাতৃসম, স্নেহশীল কিংবা দৃঢ় ব্যক্তিত্বের চরিত্রে দেখা গেছে, এবার তাঁকে দেখা যাচ্ছে একেবারে ভিন্ন অবতারে, একটি নেতিবাচক (Negetive) চরিত্রে।

সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় অভিনীত চরিত্রটি এখন দর্শকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, এত বড় মাপের একজন শিল্পীকে এমন চরিত্রে মানায় না। বরং তাঁকে এমন একটি চরিত্র দেওয়া উচিত ছিল, যা দর্শকদের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে ইতিবাচকভাবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই মন্তব্য করছেন, “অভিনেত্রী হিসেবে সাবিত্রীদেবী অনবদ্য, কিন্তু তাঁকে এমন রূপে দেখতে মন চায় না।”

তবে এই বিতর্কের মাঝে অনেকে এটাও মনে করছেন যে, একজন দক্ষ অভিনেতা-অভিনেত্রীর কাজই হলো যেকোনো চরিত্রে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া। সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় যদি এত বছর পর পর্দায় ফিরে এসে এমন একটি চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করতে রাজি হন, তাহলে হয়তো এই চরিত্রের মধ্যেই তাঁর অভিনয়ের নতুন দিক উঠে আসবে, সেই নিয়ে আশাবাদী অনেকেই।

চিরসখা ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, এই চরিত্রটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ এবং এতে বেশ কিছু চমকও রয়েছে। তবে দর্শকদের একটা বড় অংশ মনে করছেন, এতদিন পর ফিরে এসে নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করাটা অভিনেত্রীর শেষ ইচ্ছা ছিল না, বরং পরিস্থিতির কারণে তিনি এটি করতে বাধ্য হয়েছেন। ফলে, চরিত্রটির প্রতি দর্শকদের বিরূপ মনোভাব গড়ে উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ “লিপ ফিলার এতটাই যে সংলাপও ঠিকমতো বলতে পারছে না, যেন যাত্রাপালা চলছে!”— মিমির ‘ডাইনি’ নিয়ে নিন্দা ‘রোজগেরে গিন্নি’ খ্যাত পরমার!

এখন দেখার বিষয়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের এই মনোভাব বদলায় কিনা। সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয়ের শক্তিতেই কি এই চরিত্র গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে, নাকি এই সিদ্ধান্ত বিতর্কিতই থেকে যাবে? ‘চিরসখা’তে কি নতুন মাত্রা যোগ করেন মহানায়িকা? সময়ই তার উত্তর দেবে। আপনাদের চিরসখাতে সাবিত্রী দেবী কে কেমন লাগছে জানাতে ভুলবেন না!