দুঃসংবাদ! প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ দেবলীনা কুমার! হঠাৎ করেই, অত্যন্ত কাছের জনের চলে যাওয়া মেনে নিয়ে পারছেন না তিনি! কাকে হারিয়ে এই অবস্থা অভিনেত্রীর?

টলিপাড়ার অন্যতম ব্যস্ততম মুখ দেবলীনা কুমার। ধারাবাহিক থেকে সিনেমা, আবার ওটিটি—সব জায়গাতেই তাঁর উপস্থিতি প্রশংসিত। কাজের দিক দিয়ে যেমন তিনি শক্ত হাতে নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন, তেমনই পরিবার সামলাতেও সমান দক্ষ। গৌরব চট্টোপাধ্যায়ের ঘরণী হিসেবে উত্তম কুমারের পরিবারের সদস্য হওয়ার পর তাঁর জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে। কিন্তু এমনই এক উজ্জ্বল সময়ে ব্যক্তিগত জীবনে নেমে এল গভীর শোকের খবর।

শনিবার দেবলীনা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানালেন, বিদায় নিয়েছেন তাঁর অত্যন্ত প্রিয় কাকুমণি। ইনস্টাগ্রামে দু’টি পুরনো ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, আজ কথায় ভাব প্রকাশ করা কঠিন। চান, পরের জন্মে যেন আবার তাঁর জীবনে কাকুমণি ফিরে আসেন। দেশপ্রিয় পার্কে কিছু লাগলে তিনি সবসময় বলতেন, দাঁড়াও আমার কাকা আছে। এক কথাতেই কাজ মিটে যেত। স্মৃতির এই সহজ–সরল মুহূর্তগুলোই আজ তাঁকে সবচেয়ে বেশি টানছে।

অভিনেত্রী আরও লিখেছেন, কাকুমণির পরামর্শ, তাঁর পোশাকের রুচি, ধুতির সংগ্রহ—সবই ছিল দেবলীনাকে অনুপ্রেরণা দেওয়ার মতো। সেই সব স্নেহ আর সম্পর্কের টান আজ গভীর শূন্যতা তৈরি করেছে তাঁর মনে। আবেগঘন পোস্টের শেষে তিনি অনুরাগীদের কাছে বিশেষ আবেদন করেন, যেন কেউ ‘RIP’ না লেখেন। কারণ তাঁর কাছে প্রিয়জনের মৃত্যু কখনওই শেষ নয়, বরং স্মৃতির মধ্যে অন্য রূপে বেঁচে থাকা।

দেবলীনার এই বার্তার পর বহু অনুরাগী তাঁকে সান্ত্বনা জানিয়েছেন। কেউ লিখেছেন, প্রিয়জন কখনও দূরে চলে যান না, তাঁরা মনেই থেকে যান। আবার কেউ জানিয়েছেন, কাকুমণির অসুস্থতার খবর তাঁরা আগেই শুনেছিলেন। সকলেই দেবলীনার প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রয়াত ব্যক্তির আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।

আরও পড়ুনঃ “দরজা দিয়ে ঢুকছিল এক অপরূপ সুন্দরী মেয়ে…গায়ের রং দিয়ে যেন আলো বেরোচ্ছে!” ঋদ্ধিমার সঙ্গে প্রথম দেখার অভিজ্ঞতা নিয়ে খুলে বললেন গৌরব চক্রবর্তী! প্রথম ছবির অভিনেত্রীই জীবনসঙ্গী হওয়ার পেছনে, কার কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ তিনি?

এ বছরের কাজের দিক থেকেও দেবলীনাকে বেশ ব্যস্ত থাকতে হয়েছে। তথাগত মুখোপাধ্যায়ের রাস মুক্তি পেয়ে ভালো সাড়া পেয়েছে। পাশাপাশি পুজোয় তাঁর অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত রক্তবীজ ২ও পর্দায় এসেছে। পেশাগত সাফল্য আর ব্যক্তিগত বেদনার মাঝখানে অভিনেত্রী এখন এগিয়ে চলছেন ধীর স্থিরতায়।