বিজেপি বিধায়ক হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায় ওরফে হিরণের সঙ্গে বিয়ে নিয়ে সম্প্রতি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন দ্বিতীয় স্ত্রী ঋতিকা গিরি। সমাজমাধ্যমে দেওয়া সেই দীর্ঘ লেখায় বিয়ের বৈধতা ও ধর্মীয় আচার নিয়ে কথা বলেন তিনি। কিন্তু সেই মন্তব্য প্রকাশের চব্বিশ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই হঠাৎ করেই পোস্টটি মুছে ফেলেন ঋতিকা। আর তাতেই শুরু হয় নতুন করে জল্পনা।
ঋতিকার পোস্ট ঘিরে বিতর্ক যখন তুঙ্গে, তখন আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁদের মেয়ে নিয়াসা চট্টোপাধ্যায়। অভিযোগে হিরণ ও ঋতিকার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এই আইনি পদক্ষেপের পরেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি চাপের মুখেই সমাজমাধ্যমের লেখা সরালেন ঋতিকা, নাকি অন্য কোনও কৌশল কাজ করছে।
এই প্রসঙ্গে আনন্দবাজার ডট কমকে অনিন্দিতা স্পষ্ট ভাষায় জানান, তাঁর বক্তব্য যে সত্যি, তা সময়ই প্রমাণ করছে। তাঁর কথায়, নিজের দাবি ন্যায্য বলেই ঋতিকা পোস্ট মুছে ফেলেছেন। অনিন্দিতার অভিযোগ, বেনারসের মতো পবিত্র স্থানে ধর্মীয় বিধিতে বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার দাবি তুলে সামাজিক অপরাধ করেছেন ঋতিকা। সমস্ত তথ্যপ্রমাণ হাতে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে এত বিতর্কের মাঝেও নীরব রয়েছেন হিরণ নিজে। বিজেপির অন্দরেও বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ মন্তব্য করতে রাজি নন। দলের অনেকেই এটিকে একান্ত ব্যক্তিগত বিষয় বলে এড়িয়ে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বারাণসীর ঘাটে ঋতিকার সঙ্গে বিয়ের ছবি নিজেই ভাগ করেছিলেন হিরণ।
আরও পড়ুনঃ স্বামী অন্য না’রীতে আচ্ছন্ন, তাও বিয়ে ভাঙেননি স্ত্রী! ‘আমি তেমন রোজগার করি না, ভয় পেয়েছিলাম…’ মুখ খুললেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা!
তবে সেই ছবির পরেই অনিন্দিতা জানান, পঁচিশ বছরের দাম্পত্যে এখনও তাঁদের আইনি বিচ্ছেদ হয়নি। ফলে দ্বিতীয় বিয়ে বৈধ নয় বলেই দাবি তাঁর। বিতর্ক বাড়তেই হিরণও বিয়ের ছবিগুলি মুছে দেন। ইতিমধ্যেই আইনি পথে হাঁটার কথা ঘোষণা করেছেন অনিন্দিতা। আইনি প্রক্রিয়া এগোলে পরবর্তী পদক্ষেপ জানাবেন বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি।






