টলিউডের পরিচিত মুখ, অভিনেতা, গায়ক এবং এখন সাহিত্যচর্চাতেও মনোযোগী অম্বরীশ ভট্টাচার্য(Ambarish Bhattacharya)—দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনোরঞ্জন করে চলেছেন তিনি। সম্প্রতি এক খোলামেলা আড্ডায় নিজের ব্যক্তিগত জীবন, প্রেম এবং বিয়ে নিয়ে এমন কিছু কথা বললেন, যা শুনে অবাক অনেকেই। তাঁর বক্তব্যে যেমন হাস্যরস, তেমনই লুকিয়ে রয়েছে জীবনের গভীর অভিজ্ঞতা।
অম্বরীশের মতে, “যেদিন তুমি প্রেম করছো, সেদিন বন্ধুত্ব শেষ। আর যেদিন বিয়ে করছো, সেদিন প্রেমটাই শেষ।” এই কথার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, বিয়ে এমন একটি সম্পর্ক যেখানে প্রেম এবং বন্ধুত্ব—দুটোই ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়। তাই তিনি নিজেকে প্রশ্ন করেছেন, এমন একটি সম্পর্কে কেন জড়াবেন? এই স্পষ্ট মতামত থেকেই বোঝা যায়, বিয়ে নিয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি বেশ আলাদা এবং বিতর্কিতও বটে।
নিজের প্রথম প্রেমের গল্প বলতে গিয়ে অভিনেতা ফিরে যায় শৈশবে। পাড়ার এক মেয়ের সঙ্গে তিন-চার বছরের সম্পর্ক ছিল তাঁর। কিন্তু সেই সম্পর্ক ভেঙে যায় এক অদ্ভুত কারণে—মেয়েটি তাঁকে তিন মাস সময় দিয়েছিল ওজন কমানোর জন্য। অম্বরীশ চেষ্টা করলেও সফল হননি। নির্ধারিত দিনে দেখা করতে গিয়ে তিনি দেখেন, সেই মেয়েটি অন্য কারও সঙ্গে বসে আছে। সেই দৃশ্য তাঁর জীবনে বড় ধাক্কা দেয় এবং সেই দিনই তাঁর প্রথম প্রেমের ইতি ঘটে।
আরেকটি সম্পর্কের কথাও তিনি শোনান, যা আরও নাটকীয়। এক বড় বয়সী মহিলার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু হঠাৎ করেই সেই সম্পর্কের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। দোলের দিন তিনি খুঁজতে খুঁজতে পৌঁছে যান ওই মহিলার বাড়িতে। দরজা খুলেই তিনি জানান, তিনি আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। দরজা বন্ধ হয়ে যায় অম্বরীশের মুখের উপর। চারিদিকে রঙের উৎসব, আর তিনি কাঁদতে কাঁদতে হেঁটে ফিরছেন—এই দৃশ্য যেন সিনেমার মতোই বেদনাদায়ক ছিল বলে জানিয়েছেন অভিনেতা।
আরও পড়ুনঃ “পর’কীয়া বলে কিছু হয় না, ভালোবাসা যখন তখন আসতে পারে…নিজের মতো করে বাঁচতে হবে” দাবি অপর্ণা সেনের! ক্রমশ বাড়ছে গ্রে-ডিভোর্স এবং লিভ-ইনের প্রবণতা! বর্তমানে বিয়েও ভালোবাসার বদলে যাওয়া সংজ্ঞা নিয়ে কী মত অভিনেত্রীর?
সময়ের সঙ্গে সম্পর্কের সংজ্ঞা বদলালেও, অম্বরীশ নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি। তাঁর কথায়, এখনকার বয়সে এসে প্রেম মানেই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিয়ের প্রত্যাশা—কিন্তু তিনি এখনও নিজেকে শুধুই “প্রেমিক” হিসেবেই দেখতে চান, কোনও বাঁধনে আবদ্ধ হতে চান না। অতীতের সেই প্রত্যাখ্যান, ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক আর হৃদয়ভাঙার স্মৃতি কি তাঁর এই সিদ্ধান্তকে আরও পোক্ত করেছে? নাকি এটাই তাঁর জীবনদর্শন—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন আগ্রহী অনুরাগীরা, আর সেখানেই যেন আরও রহস্যময় হয়ে উঠছেন অম্বরীশ ভট্টাচার্য।






‘ইস্! তোমার বর কি তোমাকে খেতে দেয় না?’ ছয় বছর পর্দার বাইরে থাকার পর ফের অভিনয়ে ফিরতেই বর্ষীয়ান অভিনেত্রী অনামিকা সাহাকে কেন দেবশ্রী রায় মুখ থেকে এমন অপমানজনক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল? নেপথ্যে কোন ছবি, জানলে চমকাবেন!