সম্প্রতি টলিউড অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ্যায়ের একমাত্র ছেলে বিহু মুখোপাধ্যায়ের বিয়ে হয়ে গেল। শুক্রবার ছিল খড়দহের ধনধান্য অডিটোরিয়ামে রিসেপশন, চার দিনের বাঙালি বিয়ের অনুষ্ঠানের জমকালো আবহের অংশ। এদিন স্বয়ং অভিনেতা নিজেই প্রবেশপথে দাঁড়িয়ে অতিথিদের অভ্যর্থনা জানিয়েছেন, এমন দৃশ্য যেন পুরনো দিনের বাঙালি আপ্যায়নের স্মৃতি উস্কে দেওয়ার মতো। এদিন নব-দম্পতির পোশাকের রঙেও ছিল নিখুঁত মিল।
বিহু সবজেটে ধূসর রঙের শেরওয়ানি-পাজামা আর রোজা মস গ্রিন শাড়ি এবং সোনালি গয়নায় সজ্জিত। টলিউডের বিশিষ্ট মানুষজনেরা সহ, অনেক অভিনেতা অভিনেত্রীরাও আমন্ত্রিত ছিলেন। তবে, সকলের চোখ যেন আকর্ষণ করেছিল অভিনেত্রী দেবলীনা দত্ত (Debolina Dutta)। এদিন অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত হয়েছিলেন শ্যাওলা রঙের শর্ট বডিকন ড্রেস পরে, সঙ্গে ছোট চুল। সম্প্রতি চুল পড়ার সমস্যার কারণে তিনি ছোট চুল কেটেছিলেন, আর পাশ্চাত্য পোশাকের সঙ্গে সেই পরিবর্তন যেন আরও চোখে পড়ল।
পরনে জামার উচ্চতাও বেশ খানিকটা ছোট। এই ছবি এবং ভিডিও সমাজ মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতেই ধেয়ে এসেছে নেটিজেনদের কটাক্ষ। কেউ লিখেছেন, “বিয়ে তে কে এই সব পরে? বাঙালি তো! জোকার লাগছে! ইচ্ছে করেই পরেছে, যাতে সবাই তাকিয়ে থাকে ওর দিকে। ওটা বিয়ে বাড়িতে পড়ার মত ড্রেস হলো?” কিন্তু নেটিজেনদের সমালোচনা এখানেই শেষ হয়নি। অন্য একজনের মতে, “বিয়েটে পড়বে মিনিস্কার্ট আর বিচে শাড়ি! কোনও ড্রেসিং সেন্স নেই, বাঙালি বিয়েবাড়িতে এই বয়সে এরকম পোশাক!”
অন্যজন আরও কটাক্ষ করলেন, “পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে সকলের স্বাধীনতা যতই থাকুক। তবুও বলতে বাধ্য হচ্ছি ড্রেসিং সেন্সের অভাব থাকে কিছু মানুষের মধ্যে। জায়গা বিশেষে যারা পোশাক পরেন না, তাদের রুচিবোধ নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়!” আরও মানুষের কথায়, “দেবলীনাকে একটু ও ভালো লাগছে না, যত বয়স বাড়ছে ততই তার রুচি বিকৃত হয়ে যাচ্ছে।” তবে সবথেকে বেশি যেই কমেন্ট চোখে পড়ল, টা হলো “উল্টোপাল্টা ড্রেস পড়ে নিজেদেরকে হাস্যকর বানায়।
আরও পড়ুনঃ দুঃসংবাদ! প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ দেবলীনা কুমার! হঠাৎ করেই, অত্যন্ত কাছের জনের চলে যাওয়া মেনে নিয়ে পারছেন না তিনি! কাকে হারিয়ে এই অবস্থা অভিনেত্রীর?
শাড়ি না হোক অন্য কোন ভারতীয় পোশাক পরলে বোধহয় বেশী ভালো লাগতো।” সব মিলিয়ে বছরের শুরুতেই নানান কারণে বিতর্কে জড়ানো থেকে, বছরের শেষেও সমাজ মাধ্যমে চর্চায় থাকলেন অভিনেত্রী। যদিও তার পছন্দ নিয়ে নানা বিতর্ক হয়েছে, তবুও তাঁর সাহসিকতা নতুনত্ব যোগ করেছে। যেটা না বললেই নয়, ব্যক্তিগত পছন্দের স্বাধীনতা থাকা সত্ত্বেও সামাজিক প্রত্যাশা ও আলোচনার মধ্য দিয়ে কখনও কখনও মানসিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা বাস্তব জীবনের অংশ।






