“শেষ কথা…আর পারছি না নিতে, সবকিছু শেষ করে দেবো!” লাইভে বার্তার পরই হাসপাতালে দেবলীনা! নাকে নল লাগানো অবস্থার ছবি, প্রকাশ্যে আনলেন পরম বন্ধু সায়ক! আশঙ্কাজনক পোস্ট ঘিরে চরম উদ্বেগ! কী ঘটেছে গায়িকার সঙ্গে?

ছোটপর্দা থেকে শুরু হলেও, অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তীর (Sayak Chakraborty) বর্তমান পরিচয় একজন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার বা ব্লগার। আর এই পেশায় অনেক কাছের মানুষদের খুঁজে পেয়েছেন তিনি। তাদের মধ্যে অন্যতম, জনপ্রিয় গায়িকা দেবলীনা নন্দী (Debolina Nandy)। দু’জনের সম্পর্ক সমাজ মাধ্যমের অনেক দর্শকেরই খুব কাছের। নারী দিবসে উপহার দেওয়া থেকে শুরু করে দেবলিনার বিয়ের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া, সায়ককে সব সময় পাশে থাকতে দেখা গেছে। এদিন, দেবলীনার একটি এমন ছবি ভাগ করেছেন সায়ক, যা দেখে রীতিমতো হতভাগ নেটিজেনরা! কী ঘটেছে তাঁর সঙ্গে?

এদিন, সায়ক একটি পোস্ট করেন সেখানে দেবলীনা কে দেখা যায় হাসপাতালে বিছানায় শুয়ে আছেন। নাক দিয়ে নল ঢোকানো, অত্যন্ত উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তাঁর! ছবির সঙ্গে তিনি লিখেছেন, “এখন একটু ঠিক আছে!” আর এই ছবির কমেন্ট বক্স ভরে গিয়েছে নানান রকম আশঙ্কা আর প্রশ্নে। কেউ কারণ জানতে চাইছেন, আবার কেউ সম্ভাব্য কারণ বলছেন সেখানে। তবে, সবকিছু যেন এতটাই সহজ নয়! এর পেছনে লুকিয়ে আছে দীর্ঘদিনের অব্যক্ত কথা।

প্রসঙ্গত, গতকাল রাতে দেবলীনা ফেসবুকে একটি লাইভ করেছেন। লাইভে তিনি লিখেছেন, “শেষ কথা!” সেখানেই তিনি প্রথমে বলেন, বিয়ের অনেক আগে থেকেই নিজস্ব ব্যান্ড করার ইচ্ছা ছিল। তখন বিয়ের জন্য না পারলেও, এখন করতে চাইলেই নানান রকম থ্রে’ট আসছে কেরিয়ার নষ্ট করে দেওয়ার! এছাড়াও ব্যক্তিগত সমস্যা সম্পর্কে তিনি বলেন, “যেখানেই সমস্যা, সেখানেই দেবলীনা! মেয়ে আর ছেলের মধ্যে এত পক্ষপাত কেন! ছেলেদের কেন পেশা আর পরিবারের মধ্যে একটা বাঁচতে হয় না? মেয়েরাই কেন এই চিন্তাধারার শিকার?

ছেলেদের তো কেউ বলে না যে, “কাজ ছেড়ে দাও তাহলে তোমার বউ থাকবে! পরিবার ছেড়ে দাও, তাহলে তোমার কাজ থাকবে!” আমার যারা মহিলা ফলোয়ার আছেন, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন যে বিয়ে হয়তো কেউ করেছেন বা ভবিষ্যতে করবেন। আপনাদের কাছে যদি কেউ তখন সর্ত রাখে যে সবথেকে কাছের মানুষ, যার জন্যে তোমার জন্ম আর এই নাম, তাকেই ছেড়ে দিতে হবে। তখন তোমরা কী করবে? মাকে ছেড়ে দেবে? মেয়েদের জন্য কেন ছেলেদের মতো বাধ্যবাধকতা নেই বিয়ের পর মা বাবার খেয়াল রাখার, যেখানে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না?”

আরও পড়ুনঃ অন্ধকার থেকে আলোয়! “স্বপ্ন ছেড়ে দিলে কেউ তা ফিরিয়ে দেবে না!” ঝাঁট দিতে দিতে কিভাবে রেড কার্পেটে পৌঁছালেন বিহারের অজ গ্রামের মডেল রোজ?

তিনি আরও বলেন, “সম্পর্ক রাখা যাবে না তার প্রথম কারণ, আমার মা নাকি দেখতে ভালো না। পড়াশোনা জানে না এবং মা মুখের উপর সত্যি বলে। অনেকেরই আমার মাকে নিয়ে সমস্যা হচ্ছে, তাই মাকে ছেড়ে দিতে হবে! আমার কথা বলার লোক নেই বলেই, তোমাদের সঙ্গে ভাগ করি। তবে, জীবনের কোনও খারাপ দিক দেখতে পছন্দ করি না। রেজিস্ট্রি না হলেও বলতে হবে হয়েছে, না থাকলেও বলতে হবে ভালো আছি…এবার আর পারছি না নিতে, সবকিছু শেষ করে দেবো!” সব মিলিয়ে, বোঝাই যাচ্ছে নেপথ্যে লুকিয়ে আছে গভীর কোনও কারণ!

You cannot copy content of this page