গাঁটছড়া ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে দর্শকদের মধ্যে। অনেকের কাছেই তা ন্যাকামির পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে। সোশ্যাল মিডিয়ার লোকজন রীতিমতো কমেন্ট করে বলছেন ‘টুরু ন্যাকামি’। হঠাৎ করে এমন কী হলো যে লোকজন এতটা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলেন?
দেখানো হয়েছে যে দ্যুতি অর্থাৎ শ্রীমা ভট্টাচার্যের প্রেমে হাবুডুবু খেয়ে তাকে বিয়ে করতে উদ্যত হয় কোটিপতি হিরে ব্যবসায়ী পরিবারের বড় ছেলে ঋদ্ধিমান ওরফে গৌরব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে হবু বউ পালিয়ে যায় বরের ছোট ভাই রাহুল ওরফে অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে। সব মিলিয়ে একেবারে ল্যাজে গোবরে হয়েছে পরিস্থিতি। সিঁদুরদানের ঠিক আগের মুহূর্তে ঘোমটা খুলে খড়ি জানাবে যে সে দ্যুতি নয় খড়ি। সেই অবস্থা দেখে চোখ ছানাবড়া ঋদ্ধিমানের। ফলে মণ্ডপ ছেড়ে উঠে দাঁড়াবে সে। এমন অবস্থায় হাজির রয়েছে সংবাদমাধ্যম এবং সাংবাদিক প্রশ্ন করে যে তার কনে কি তবে পালিয়েছে? এদিকে আবার মায়ের নির্দেশে কনে সেজে বিয়ের আসরে হাজির হয়েছে খড়ি অর্থাৎ শোলাঙ্কি রায়। এমন গল্প এর আগে বহুবার ছোটপর্দায় দেখতে পেয়েছে দর্শক।
View this post on Instagram
বারবার একই গল্প প্রদর্শিত হতে হতে রীতিমত হাফিয়ে উঠেছে দর্শকরা, এমনটাই মত তাদের। শোলাঙ্কি আর গৌরবের মতো অভিনেতাদের এবাববে কেন ব্যবহার করা হলো সেই প্রশ্ন তুলছে অনেকেই। এখন দেখার পালা ঋদ্ধিমান এবং খড়ির সম্পর্ক ঠিক কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে।






“বিয়ে মানেই তো সিঁদুর-ফিদুর লেবড়ে-লুবড়ে…” বৈবাহিক সম্পর্কের ব্যাখ্যা দিতেই মন্তব্যে বিতর্ক উস্কে দিলেন কৌশিক সেন! ‘জীবনের ব্যাপ্তি শুধু লিভ ইন করলেই?’ ‘সত্যি কী ভাষা আপনার, ছিঃ!’ ‘পাবলিক ফিগার বলেই কি যা খুশি বলবেন?’ যারা শাঁখা-সিঁদুর পরে তাদের অপমানে, অভিনেতাকে ধুয়ে দিলেন ক্ষু’ব্ধ নেটিজেনরা!