টলিউডে জনপ্রিয় অভিনেতা হলেন কাঞ্চন মল্লিক। তার সঙ্গে তিনি একজন কৌতুক শিল্পী এবং বর্তমানে রাজ্যের শাসকদলের একজন বিধায়ক। ২০০২ সালে জিতের “সাথী” ছবি দিয়ে তিনি টলিউডে পা রাখেন। ২০০২ থেকে এখনো পর্যন্ত টলিউডের তিনি বহু জনপ্রিয় ছবিতে কাজ করছেন। তাকে বেশ কয়েকটি ওয়েব সিরিজেও কাজ করতে দেখতে পাওয়া গেছে।

তিনি বহু জনপ্রিয় ছবিতে কাজ করেছেন তারমধ্যে অন্যতম হল “সাথী”, “সঙ্গী”, “রাজু আঙ্কেল”, “রঞ্জনা, আমি আর আসব না”, “যোদ্ধা”, “শুধু তোমারই জন্য” ,”ব্যোমকেশ ও চিড়িয়াখানা”, “ড্রাকুলা স্যার”, “টনিক”। বহু তাবড় তাবড় অভিনেতা অভিনেত্রীদের সঙ্গে কাজ করেছেন কাঞ্চন। এছাড়া “মন্টু পাইলট”, “মৌচাকের” মতো জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজেও কাজ করেছেন কাঞ্চন।
সম্প্রতি একটি নামী সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকার দিতে দেখা যায় কাঞ্চন মল্লিক এবং বিশ্বনাথ বসুকে। পেশায় তারা দুজনই টলিউডের কৌতুক শিল্পী। একাধিক জনপ্রিয় ছবিতে ও দুজনে একসাথে কাজ করেছেন। সেখানেই কাঞ্চন বলেন,“ক্লাস ১০-এ যখন পড়ি তখন বাবা সেরিব্রাল রেটিনা অ্যাটাকে দৃষ্টি হারিয়ে ফেলেন। সেসময় আমি বাড়ির বড় ছেলে হিসেবে আমাকেই সংসারের দায়িত্ব নিতে হয়। প্রথমে টিউশনি করি। এরপর একটা সেলস-এর কাজে ঢুকেছিলাম। বাড়ি-বাড়ি গিয়ে দোকানে-দোকানে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করতে হত। সেসময় দু-প্যাকেট সিগারেটের সাথে একটা লাইটার ফ্রি দিত, সেটা সেলস করতাম দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে কস্টিউম পরে। এরপর রাসবিহারী মোড়ে একটা ম’দের দোকানে কোলা ফ্রি দিত। যারা ম’দ কিনতে আসতেন তাদের সেটা দোকানের বাইরে দাঁড়িয়ে বিক্রি করতাম।”
|
তিনি আরো বলেন,“জীবনে এগিয়ে যেতে গেলে একাকেই লড়তে হয়, কেউ কোথাও থাকেনা। আমি একাই লোড়ে আজকে এই জায়গায় এসেছি। আমার বাবা প্রোডিউসার নয়, আমার বাবা থিয়েটারের ডিরেক্টর নয়, আমার বাবা হিরো নন। একই সাথে পাশে থাকা বিশ্বনাথের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আমারা থিয়েটারের কোনও স্টলওয়ার্ডের ছেলেও নই। তবু আমি মনে করি, আজ অবদি একলা লড়ে, একলা চেষ্টা করে যতটুকু করতে পেরেছি, যতটুকু মানুষ ভালোবেসেছে সেটা একমাত্র নিজের করা কাজের জন্যই।”







“বাজি আমরা ফাটাব, বাজি ফাটালে দেখবেন অনেক অসুখ-বিসুখ চলে যায়”, “আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, কালীপুজোয় বাজি তো হবেই!” বাজি ফাটালে রোগ সারে, পাপিয়া অধিকারীর মন্তব্যে তোলপাড়! “শব্দবাজি পোড়ালে ঠিক কোন কোন অসুখ কমে তালিকাটা যদি দাও” বিজেপি বিধায়ক তথা অভিনেত্রীকে একহাত নিলেন শ্রীলেখা মিত্র!