টলিউডের পরিচিত অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ (Shremoyee Chattoraj)। বহু ধারাবাহিকে তিনি অভিনয় করেছেন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে। তবে বর্তমানে তিনি চুটিয়ে উপভোগ করছেন বিরতি। অভিনেতা বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক (Kanchan Mallik)-এর সঙ্গে মাস চারেক আগে বিয়ে হয়েছে শ্রীময়ীর। আপাতত তাঁরা হানিমুনে মালদ্বীপে! সেখানে নীল জলের মাঝে কালো বিকিনিতে উষ্ণতা ছড়ালেন শ্রীময়ী। লিখলেন ঠিক যেন স্বর্গ…!
কালো বিকিনিতে লাস্যময়ী শ্রীময়ী!
মালদ্বীপের নীল সমুদ্রের ধারে কালো বিকিনিতে নজর কাড়লেন কাঞ্চন পত্নী শ্রীময়ী। পিছনে নীল জল আর সামনে হালকা নেটের ওভারকোট এবং কালো বিকিনি পরে উষ্ণতা ছড়ালেন অভিনেত্রী। চেহারায় যেন ফেটে পড়ছে সৌন্দর্য। কালো ফ্রেম-এর সানগ্লাসে দুচোখ ঢাকা। ঠোঁটে লেগে রয়েছে হালকা হাসি।
অভিনেত্রী ছবি শেয়ার করার সাথে সাথেই উপচে পড়লো প্রতিক্রিয়া। তবে বরাবরের মতো নিজের কমেন্ট সেকশনকে লিমিটেড রেখেছেন তিনি। তাই ইচ্ছে থাকলেও অনেকেই শ্রীময়ীর সৌন্দর্যের প্রশংসা করতে পারলেন না! যদিও অভিনেত্রী বললেন, তার যেন মনে হচ্ছে স্বর্গে আছেন। এত সুন্দর একটা উপহার দেওয়ার জন্য পার্টনারকে জড়িয়ে আদরও করলেন তিনি।
View this post on Instagram
আরও পড়ুনঃ মিশমী নয় গুড্ডি খ্যাত শ্যামৌপ্তিই রণজয়ের প্রেমিকা! তার জন্যই কী ভেঙেছিল সোহিনীর সঙ্গে সম্পর্ক?
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন দম্পতি। যেখানে ধরা পড়েছে কাঞ্চন-শ্রীময়ীর জলকেলীর দৃশ্য। শ্রীময়ীকে কাছে টেনে কাঞ্চনের জল খেলা দেখে ভিন্ন মানুষের ভিন্ন প্রতিক্রিয়া। যদিও কারোর কথায় কান দিতে রাজি নন দম্পতি। আপাতত তাঁরা মজে রয়েছেন মধুচন্দ্রিমায়।
মধুচন্দ্রিমায় কাঞ্চন-শ্রীময়ী!
চার মাস হয়ে গিয়েছে কাঞ্চনের সঙ্গে ঘর করছেন শ্রীময়ী। কিন্তু বিয়ের পর যাওয়া হয়নি হানিমুনে। তাই ভারী অভিমান হয়েছিল বিধায়কের ‘বাচ্চাবউ য়ের’। যদিও অভিনেত্রীর জন্মদিনের পরই দারুন সারপ্রাইজ দিয়েছেন কাঞ্চন! দুজনে মিলে উড়ে চললেন সোজা মালদ্বীপ। আর সেখানেই তাঁদের মধুচন্দ্রিমা। যাওয়ার পথে মুহূর্তগুলিকে ক্যামেরা বন্দি করেছেন কাঞ্চন ঘরণী। আপাতত মন দিয়ে উপভোগ করবেন হানিমুন।
View this post on Instagram






“স্ত্রী হিসেবে ওর সঙ্গে থাকা যায় না” দেবশ্রী রায়কে নিয়ে বি’স্ফোরক মিঠুন চক্রবর্তী, দিলেন ‘খামখেয়ালী ও খিটকেল’ তকমা! প্রসেনজিতের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর, দ্বিতীয়বার সংসার পাতেননি অভিনেত্রী! হঠাৎ তাঁকে নিয়েই বর্ষীয়ান অভিনেতার এমন মন্তব্যের নেপথ্যে কী কারণ?