‘গুড বয় ইমেজে কি ধরল চিরকালীন ফাটল?’ একের পর এক অভিযোগে চাপে সায়ক চক্রবর্তী! শিশুশিল্পীকে নি’র্যাতনের ইঙ্গিত থেকে স্যান্ডি সাহার যৌ*ন হে’নস্থার দাবি কি তবে সত্যি? সুস্মিতার ‘যৌ*নাঙ্গ ছিঁ’ড়ে ফেলার’ মন্তব্যে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া!

টলিউড ও সোশ্যাল মিডিয়ার জগতে বিতর্ক যেন নতুন কিছু নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ের একাধিক ঘটনার জেরে আবারও চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন সায়ক চক্রবর্তী। একের পর এক অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ, আর পুরনো ঘটনার পুনরুত্থান—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। দর্শক মহলের মধ্যেও তৈরি হয়েছে তীব্র কৌতূহল।

এই বিতর্কের মাঝেই সামনে আসে স্যান্ডি সাহা-র অতীতেরবিস্ফোরক দাবি। তাঁর অভিযোগ ছিল, কয়েক বছর আগে সায়কের বাড়িতে গিয়ে তিনি যৌন হেনস্থার শিকার হন। সেই সময় বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেননি তিনি। কারণ হিসেবে জানান ভয়, অবিশ্বাস এবং সায়কের তথাকথিত ‘গুড বয়’ ইমেজ। তবে সাম্প্রতিক বিতর্কের আবহে তিনি মনে করছেন, চুপ করে থাকা ঠিক নয়—অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, অর্ক গঙ্গোপাধ্যায়-এর পুরোনো একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট নতুন করে জল্পনার জন্ম দিয়েছে। তিনি সরাসরি কারও নাম না করলেও দাবি করেন, এক ‘ভাইরাল ব্লগার’-এর বিরুদ্ধে অতীতে এক শিশুশিল্পীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার উল্লেখ করে তিনি সমাজের দায়ও তুলে ধরেন। এই পোস্টের পর থেকেই নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, ইঙ্গিত হয়তো সায়কের দিকেই।

এই পরিস্থিতিতেই সামনে আসে সায়কের ব্যক্তিগত জীবনের আরও কিছু প্রসঙ্গ। তাঁর প্রাক্তন বৌদি সুস্মিতা রায় সম্প্রতি কিছু ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন, যা ঘিরে আবারও চর্চা শুরু হয়েছে। নেটমাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—তাহলে কি এতদিন ধরে চাপা থাকা অভিযোগগুলির মধ্যে কোনও মিল রয়েছে? স্যান্ডির দাবি, অর্কর ইঙ্গিত এবং সুস্মিতার বক্তব্য—সবকিছু কি একই দিকেই ইঙ্গিত করছে?

আরও পড়ুনঃ “এখন যেহেতু সবার একটি দুটি সন্তান, তাই নিজেদের সমস্ত চাওয়া ও না পাওয়া, সবটাই চাই তার মধ্যে দিয়ে পেতে” বর্তমান অভিভাবকদের মানসিকতা নিয়ে বি’স্ফোরক রজতাভ দত্ত! অজান্তেই কি বেড়ে চলেছে সন্তানের উপর চাপের পাহাড়? কী পরামর্শ দিলেন অভিনেতা?

সব মিলিয়ে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—সত্যিটা ঠিক কী? যদিও সায়ক চক্রবর্তীর পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই সব অভিযোগ নিয়ে স্পষ্ট কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমশ বাড়ছে চাপ। অনেকেই চাইছেন নিরপেক্ষ তদন্ত, আবার কেউ কেউ সরাসরি আইনি পদক্ষেপের দাবিও তুলছেন। বিতর্কের এই ঘনঘটার মাঝে একটাই বিষয় স্পষ্ট—একসময়ের ‘গুড বয়’ ইমেজ এখন বড় প্রশ্নের মুখে।

You cannot copy content of this page