বাংলা টেলিভিশনের পর্দায় তাঁর উপস্থিতি মানেই দর্শকের মধ্যে একরাশ কৌতূহল। কখনও কঠিন, কখনও নির্মম খলনায়িকা— প্রতিটি চরিত্রেই নিজেকে আলাদা করে তুলেছেন অভিনেত্রী স্বাগতা মুখার্জী। ছোটপর্দায় আজও তিনি জনপ্রিয়, কিন্তু এই জনপ্রিয়তার পেছনে লুকিয়ে আছে এমন এক অভিজ্ঞতা, যা আজও তাঁর মনে গভীর ছাপ ফেলে রেখেছে।
স্বাগতা জানিয়েছেন, একসময় দর্শকরা তাঁর অভিনয়কে এতটাই বাস্তব মনে করতেন যে তাঁকে চরিত্র হিসেবেই ঘৃণা করতে শুরু করেন। তিনি ছিলেন তখন স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক দুর্গা-র এক খলনায়িকা। পর্দায় তাঁর নিষ্ঠুরতা দেখে অনেকেই রাগে ফেটে পড়তেন। কিন্তু সেই রাগের সীমা যে বাস্তবে এমনভাবে পৌঁছাবে, তা নিজেও কল্পনা করতে পারেননি অভিনেত্রী।
এক সাক্ষাৎকারে স্বাগতা জানান, “রাস্তার মধ্যে হেঁটে যাচ্ছিলাম, হঠাৎই কেউ একজন আমার দিকে জুতো ছুঁড়ে মারে। এমন সব গালাগাল শুনতে হয়েছিল যা এখন ক্যামেরার সামনে বলাও যায় না।” সেই মুহূর্তে তিনি হতবাক হয়ে যান, বুঝতে পারেন না কী ভুল করেছেন। পরে বোঝেন, মানুষ পর্দার চরিত্র আর বাস্তব মানুষটিকে আলাদা করতে পারেননি।
আজ অবশ্য পরিস্থিতি অনেকটা বদলেছে। দর্শক এখন বোঝেন, পর্দার চরিত্র আর বাস্তব জীবনের মানুষ এক নয়। স্বাগতাও এই ঘটনাকে নিজের অভিনয়ের সফলতা হিসেবেই দেখেন। তাঁর মতে, “আমি যদি এমনভাবে চরিত্রে ঢুকে যেতে পারি যে মানুষ সত্যি মনে করে, সেটাই তো আমার জয়।”
আরও পড়ুনঃ “মানুষের ভালোবাসা না পেলে সেজেগুজে রাজরানী হয়ে লাভ কী!”—স্টার জলসার ‘রানী ভবানী’ রাজনন্দিনীর মুখে বিস্ফো’রক মন্তব্য! দর্শকদের উদ্দেশ্যে কি জানালেন পর্দার রানী ভবানী?
এই অভিজ্ঞতা থেকে অভিনেত্রী শিখেছেন, জনপ্রিয়তা শুধু প্রশংসা নয়, কখনও তিক্ততাও এনে দেয়। তবুও অভিনয় তাঁর প্রাণ, আর দর্শকের ভালোবাসাই তাঁর প্রেরণা। সেই কারণেই আজও তিনি দৃঢ়, হাসিমুখে বলেন— “ওই ঘটনাগুলো কষ্টের হলেও আমাকে আরও শক্ত করে তুলেছে।”






“বাংলা ইন্ডাস্ট্রির একমাত্র সুন্দরী নায়িকা কৌশানি, মা দুর্গার থেকেও বেশি সুন্দরী!” বেনারসি শাড়ি, গা ভর্তি সোনার গয়নায় হবু বৌমা, প্রশংসায় খেই হারিয়ে মন্তব্য পিয়া সেনগুপ্তর! ছেলে বনি আবার ঘুরছেন আঁচল ধরে! ‘হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারছি না’, ‘আপনার থেকে সুন্দরী কেউ হতে পারে?’ ‘এমন শাশুড়ি আমাকেও দিও ভগবান’ নেটপাড়ায় তুমুল হাসাহাসি!