window._taboola=window._taboola||[];_taboola.push({flush:!0}) class="wp-singular post-template-default single single-post postid-32996 single-format-standard wp-custom-logo wp-embed-responsive wp-theme-generatepress post-image-above-header post-image-aligned-center slideout-enabled slideout-mobile sticky-menu-no-transition sticky-enabled mobile-sticky-menu mobile-header mobile-header-logo right-sidebar nav-below-header separate-containers header-aligned-left dropdown-hover featured-image-active" itemtype="https://schema.org/Blog" itemscope>

শ্যামের থেকে অনির্বানের আসল মায়ের হদিস পেল রাধিকা! সামনে এল শ্বশুরের অতীত! এক্কা দোক্কা’য় নয়া ট্যুইস্ট

স্টার জলসার (Star Jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল ‘এক্কা দোক্কা’ (Ekka Dokka)। সদ্যই অনির্বাণের (Anirbban) সঙ্গে রাধিকার (Radhika) বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বহুদিনের দর্শকদের ইচ্ছাই হয়েছে পূরণ, সাত পাকে বাঁধা পড়ল তারা। যদিও বিয়ের আগে ও পরে নানান বাধা এসেছে। তবে সব বাধা পাড় করে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। রাধিকা ও অনির্বাণের এই শুভ পরিণয়ের জন্য অপেক্ষায় ছিল অনেকেই। নানান বিপদ কাটিয়ে শেষমেশ তারা এক হল।

উল্লেখ্য, অনির্বাণ ও রাধিকা জুটি দর্শকদের বেশ পছন্দ। এর আগেও এই জুটিকে দর্শক দেখেছে ‘মোহর’ (Mohor) ধারাবাহিকে। ‘এক্কা দোক্কা’তে অনির্বাণ অর্থাৎ প্রতীকের (Pratik) এন্ট্রি হতেই সকলেই আবদার করে রাধিকা ও অনির্বাণের জুটি হোক। আর তাই দর্শকের কথা মতো লেখিকা সেই দিনটিকে নিয়ে চলেই এলেন। যদিও আগেই জানা গিয়েছে, বিয়ের দিনও আসবে এক নতুন ট্যুইস্ট। স্বাভাবিকভাবে তা এসেওছে।

গল্পের শুরুতে যে নায়ক ছিল, এখন সেই নায়কের জায়গা দখল করেছে অন্যজন। দুই পরিবারের শত্রুতার মাঝেই দুজনের প্রেম নিয়ে শুরু হয় স্টার জলসার ধারাবাহিক ‘এক্কা দোক্কা’। কিছু মাসের মধ্যে লেখিকা গল্পের মোড় ঘুরিয়ে দেয় অনেকটাই। ধারাবাহিকের প্রথমদিকে রাধিকা এবং পোখরাজ দুজনেরই জুটি বেশ প্রিয় ছিল দর্শকদের। পরবর্তীকালে তাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির দরুন দুজনে আলাদা হয়ে যায়।

এক আগন্তুকের ফোনে চরম সত্যের মুখে রাধিকা

কিছুদিনের মধ্যেই গল্পে এন্ট্রি নেন ড: অনির্বাণ। বহু বাধা পেরিয়ে রাধিকা ও অনির্বাণের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এবার অনির্বাণের সামনে এল এক চরম সত্যি। এক আগন্তুকের ফোন আসতেই চমকে যায় রাধিকা। আগন্তুকের সেই ফোন ধরতে রাধিকাকে সেই আগন্তুক বলে ওঠে, অনির্বাণের এটা নিজের বাড়ি নয়। সকলে তাকে মিথ্যা বলেছে। তার আলাদা পরিবার, আলাদা বংশ রয়েছে। যা অনির্বাণ নিজেও জানে না। অনির্বাণের আসল বংশ পরিচয়ের সত্যি জানতে উঠেপড়ে লেগেছে রাধিকা। তবে অনির্বাণ সেই কথায় বিশ্বাস করে না।

কোন বংশের ছেলে অনির্বান?

সকলের আপত্তি থেকেও রাধিকা সেই আগুন্তুকের সঙ্গে নিজের দিদিকে নিয়ে দেখা করে। জানা যায়, তার নাম শ্যাম। সে বলে, অনির্বানের বাবা একসময় সেন বাড়িতে যাতায়াত করতেন, যেটা হল লেক গার্ডেনসে। পাশাপাশি এও বলে, অনির্বান ড: জ্যোতিময় বাবুর ছেলে। কিন্তু মা হিসাবে এতদিন যাকে পরিচয় দিয়ে এসেছেন তিনি, সে আসলে অনির্বানের আসল মা নয়। আমরা দেখেছি, অনির্বানের বাবা যদিও রাধিকার কথা আগেই নাকচ করেছেন। তবে কি এবার শ্যাম জ্যোতিময় বাবুর অতীতকে সামনে আনবে? কেন অনির্বাণকে তার আসল মায়ের পরিচয় দেওয়া হয়নি? এবার খোলসা হবে সব সত্য।