বাংলা টেলিভিশনের পরিচিত মুখ অভিনেতা শঙ্কর চক্রবর্তী (Shankar Chakraborty)। বড় পর্দার একাধিক সিনেমা-সহ বিভিন্ন ধারাবাহিকে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। যদিও হাসিখুশি অভিনেতা শঙ্কর চক্রবর্তীর জীবন নানান যন্ত্রণায় নিমজ্জিত। ছোটবেলায় বাবাকে হারানো থেকে স্ত্রীর আকস্মিক মৃত্যু। কোনোটাই মেনে নিতে পারেননি শঙ্কর চক্রবর্তী। নানান কারণে বারবার ভেঙে পড়েন অভিনেতা। সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খুলে নিজের জীবনের বহু অজানা কথা প্রকাশ করলেন তিনি।
অনেক ছোটো বয়সে বাবাকে হারান শঙ্কর চক্রবর্তী। কঠিন পরিশ্রম করে শক্ত করেছেন নিজের ভিত। বাবার মৃত্যুর পর মামাবাড়িতে মানুষ হন অভিনেতা। কিন্তু আদরে মানুষ হননি। স্কুলে পড়ার সময় থেকে শুরু করেন উপার্জন। রাতে ফ্যাক্টরিতে কাজ করে দিনে স্কুলে যেতেন অভিনেতা। এভাবেই চলে তাঁর পড়াশোনা। ফ্যাক্টরির কাজ ছাড়াও টিউশনি করে অর্থ উপার্জন করতেন। এভাবেই একসময় স্টোরি কিপারের কাজ শুরু করেন শঙ্কর চক্রবর্তী।
আরো পড়ুন: পরাগের বিয়ে নিয়ে বেশি নাচানাচি করতেই, চো’র, নি’র্ল’জ্জ প্রতীক্ষাকে ধু’য়ে দিল শিমুল! আগাম পর্ব জমজমাটি
উচ্চমাধ্যমিক পাশের পর আসানসোল চলে আসেন অভিনেতা। সেখানে সাইকেল ফ্যাক্টরির কাজে যুক্ত হন তিনি। যদিও তাঁর মনে ছিল অভিনয়ের বীজ। তাই স্বপ্ন সফলের তাগিদে চলে আসেন থিয়েটারে। সেখানেই তাঁর আলাপ হয় সোনালি চক্রবর্তীর সঙ্গে। বন্ধুত্ব থেকে ধীরে ধীরে প্রেম ও পরে সংসার। অভিনেতার সুখে, দুঃখে সর্বদাই পাশে থাকতেন সোনালী।
একটি নাটকের মাধ্যমে তাঁর অভিনয় শুরু। ধীরে ধীরে বড় পর্দার বহু চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেন শঙ্কর চক্রবর্তী। অভিনেতার কথায়, তিনি বড্ড ভুল সময়ে এসেছিলেন বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে। সে সময় ছবিতে দাপিয়ে রাজত্ব করছেন প্রসেনজিত, চিরঞ্জিতরা। যথারীতি নতুন মুখকে জায়গা দিতে নারাজ ছিলেন পরিচালকরাও। অভিনেতার আক্ষেপ ক্ষমতা থাকলেও সঠিক সুযোগ দেওয়া হয়নি তাঁকে।
এরপরই ক্রমে অন্ধকার নেমে আসে অভিনেতার জীবনে। মারা যান স্ত্রী সোনালি চক্রবর্তী। স্ত্রীর মৃত্যু আজও মন থেকে মেনে নিতে পারেননি অভিনেতা। পেটের দায়ে বড় পর্দার কাজ ছেড়ে শুরু করেন মেগা সিরিয়ালে অভিনয়। যদিও এখন হাতে কাজ নেই তাঁর। মাথার উপর ছাদ আর আক্ষেপে পূর্ণ একরাশ স্মৃতি ছাড়া সম্বল বলতে আর কিছুই নেই। অভিনেতার কথায়, একসময় সৌমিত্র চ্যাটার্জি বলেছিলেন “বাংলা ইন্ডাস্ট্রি তোমায় ব্যবহার করতে পারেনি…”।






‘পচে যাওয়া স্টার পাওয়ারের ঔদ্ধত্য…উনি স্রেফ ঘৃ’ণার যোগ্য!’ ‘ফুটপাথের ভোটে জয়ী হয়ে, তাদের মেম্বার অফ পার্লামেন্টের অযোগ্য বলে অপমান, ফুটপাতের মানুষই একদিন ছুড়ে ফেলবে আপনাকে!’ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে একহাত নিলেন ঋদ্ধি সেন! ‘ফুটপাতের মেয়ে’ মন্তব্য ঘিরে নজিরবিহীন কটা’ক্ষ ভাইরাল!