টলিউডে আবার আলোচনার কেন্দ্রে কৌশানী মুখোপাধ্যায়। হইচইয়ের নতুন সিরিজ আদালত ও একটি মেয়ে তে নামভূমিকায় তাঁর উপস্থিতি যেন কেরিয়ারের নতুন মোড়। এক সময় টানা কাজের ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলেন অভিনেত্রী। এখন তিনি বেছে কাজ করছেন, চরিত্রের গভীরতায় মন দিচ্ছেন। দর্শকের চোখেও এই বদল ধরা পড়ছে, আর সেই কারণেই কৌশানীর প্রত্যাবর্তন নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে।
এই সিরিজে কৌশানীর চরিত্র জয়িতা এক প্রতিবাদী নারী, যে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়। চরিত্রটি তাঁকে মানসিক ভাবে নাড়া দিচ্ছে। শুটিংয়ের পর অনেক সময় নিজেকে গুটিয়ে রাখছেন, কম কথা বলছেন, কারণ প্রতিটি দৃশ্যের যন্ত্রণা তিনি ভেতরে ধারণ করছেন। কৌশানীর বিশ্বাস, পর্দায় নারীর লড়াই তুলে ধরলে সমাজ আরও সচেতন হবে এবং মানুষ প্রতিবাদের শক্তি খুঁজে পাবে।
কৌশানীর সঙ্গে অভিনয় করছেন কৌশিক সেন ও বাসবদত্তা চট্টোপাধ্যায়। দুজনেই আইনজীবীর চরিত্রে। টানটান কোর্টরুম আবহ, শক্তিশালী গল্প এবং সংবেদনশীল অভিনয় মিলিয়ে সিরিজটি দর্শকের প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছে। কৌশানীর মতে, এমন গল্প শুধু বিনোদন নয়, সমাজের আয়নাও। কাজের প্রতি এই দায়িত্ববোধই তাঁকে আজ আরও পরিণত অভিনেত্রী করে তুলেছে।
নিজের কেরিয়ার নিয়ে কৌশানী এখন অনেক বেশি সচেতন। আগে বছরে একাধিক ছবি করলেও এখন তিনি ধৈর্য ধরে ভালো পরিচালকের ডাকের অপেক্ষা করেন। তাঁর কথায়, জীবন তাঁকে দ্বিতীয় সুযোগ দিয়েছে এবং সেই সুযোগ তিনি হারাতে চান না। কম কাজ হলেও মানসম্মত চরিত্রে নিজেকে মেলে ধরাই তাঁর লক্ষ্য। দর্শকের ভালোবাসাই তাঁর সবচেয়ে বড় প্রেরণা।
আরও পড়ুনঃ জন্মের পরেই মেয়েটা পরিণত হয়েছিল মৃ’ত্যুপথযাত্রীতে! সেখান থেকে ফিরে, মায়ের অপূর্ণ স্বপ্ন বুকে আগলে বেঁচে আছে! জানেন, কীভাবে তিনি হয়ে উঠলেন আজকের অপরাজিতা আঢ্য? জীবনের না বলা গল্পটা ঠিক কেমন?
আর বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন উঠলেই কৌশানীর মুখে হাসি। ব্যস্ত শিডিউলের কারণে বনি সেনগুপ্তের সঙ্গে দেখা করার সময়ও পান না তিনি। মজার ছলে বলেন, আগে সকলের বিয়ের খাওয়া শেষ হোক, তারপর নিজের পালা ভাবা যাবে। আপাতত কাজই তাঁর প্রথম প্রেম। ভবিষ্যতে কী হবে সময়ই বলবে, তবে এখন কৌশানীর মন জুড়ে শুধুই অভিনয়ের স্বপ্ন আর নতুন সাফল্যের খোঁজ।






