টলিপাড়ায় সম্পর্ক ভাঙা গড়া নতুন নয়, তবে জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শ্রেয়া বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাম্পত্য ভাঙনের পর যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে তা এখনো থামেনি। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের আলাদা থাকার খবর ঘুরছিল ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে। অবশেষে আইনি বিচ্ছেদের কথা প্রকাশ্যে আসতেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে শ্রেয়ার ব্যক্তিগত জীবন ও ভবিষ্যতের সম্ভাব্য নতুন সম্পর্কের প্রশ্ন।
এই আবহেই সামনে আসে গায়ক ঈশান মিত্রের নাম। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি জন্মদিনের উদযাপনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় নতুন করে জল্পনা। ভিডিওতে দেখা যায় কেক কাটা, হাসি, মজা আর একে অপরকে কেক খাইয়ে দেওয়ার মুহূর্ত। সাধারণ বন্ধুত্ব নাকি তার চেয়েও বেশি কিছু, সেই নিয়েই দর্শক মহলে তৈরি হয় নানা ব্যাখ্যা আর কৌতূহল।
এই গুঞ্জনের মাঝেই মুখ খুলেছেন শ্রেয়া নিজে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন ঈশান তাঁর কাছে বিশেষ কেউ নন, বরং অন্যান্য বন্ধুদের মতোই একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু মাত্র। ভবিষ্যতে যদি সম্পর্কের রং বদলায়, তবে তা লুকিয়ে রাখবেন না বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তাঁর এই খোলামেলা বক্তব্যে যেমন জল্পনা কিছুটা থেমেছে, তেমনি নতুন প্রশ্নও জন্ম নিয়েছে।
অন্যদিকে জয়জিৎ যদিও বিচ্ছেদের কথা স্বীকার করেছেন, তবু তাঁদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে প্রকাশ্যে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি। কয়েক দিন আগে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করলেও সরাসরি মন্তব্য এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত বিষয়কে আলোচনার বাইরে রাখার এই সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই পরিণত মানসিকতার পরিচয় বলেই মনে হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ “হঠাৎ করেই না জানিয়ে ‘রক্তকরবী’ থেকে বাদ দিয়েছিল, সেই সময়ে থিয়েটার চালিয়ে যাওয়াও প্রায় অসম্ভব ছিল!” ২০২১ সাল ছিল দুঃস্বপ্নের মতো, একের পর এক কাছের মানুষদের হারিয়ে শোকে ডুবে গিয়েছিলেন চৈতি ঘোষাল! প্রতিকূলতায় না থেমে, কীভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন তিনি?
এই সম্পর্ক ভাঙনের মাঝেও সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে তাঁদের ছেলে যশোজিৎ। বর্তমানে সে দাদু ঠাকুমার সঙ্গেই থাকে এবং পরিবারই তার প্রধান ভরসা। শ্রেয়া ও জয়জিৎ দুজনেই সন্তানের ভালোর দিকেই বেশি নজর দিচ্ছেন বলে ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি। সম্পর্কের সমীকরণ বদলালেও দায়িত্ববোধ যে অটুট, সেটাই স্পষ্ট হয়ে উঠছে তাঁদের আচরণে।






