“সব পরীক্ষায় আমি বেশি লিখতাম, সবার থেকে বেশি নম্বর পেতাম…এটাই আমার বাজে অভ্যাস!” নিজের ঢাক নিজেই পেটালেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়! ‘ভাগ্যিস এখন বিদ্যাসাগর বেঁচে নেই, না হলে বিদ্যাসাগরের জায়গায় হিরণময় নামই আসত’ বলছেন নেটিজেনরা!

বিনোদন জগতের তারকারা সব সময়ই সাধারণ মানুষের কৌতূহল ও নজরের কেন্দ্রে থাকেন। তাঁদের কাজ, ব্যক্তিগত জীবন, অভ্যাস—সবকিছু নিয়েই সমাজ মাধ্যমে (Social Media) চলে চর্চা, আলোচনা, কখনও প্রশংসা তো কখনও তীব্র কটাক্ষ। একটুখানি মন্তব্য বা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাও মুহূর্তের মধ্যে খবরের শিরোনাম হয়ে ওঠে। ঠিক এমনই এক মন্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এলেন এক পরিচিত মুখ।

বিজেপি দলনেতা ও টলিউডের অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায় এক সময় তাঁর অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের মন জয় করেছিলেন। পর্দায় তাঁর উপস্থিতি ও সংলাপ বলার ভঙ্গি আলাদা করে নজর কেড়েছিল। পরবর্তীতে রাজনীতির ময়দানে পা রেখে তিনি বঙ্গীয় বিজেপি দলের সঙ্গে যুক্ত হন। ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও মাঝেমধ্যেই শিরোনামে থেকেছেন হিরণ। কিছুদিন আগেই দ্বিতীয় বিয়ে করার পর তাঁকে ঘিরে শুরু হয় কটাক্ষ ও নানা মন্তব্য, যা সমাজমাধ্যমে বেশ চর্চিত হয়।

এই আবহেই সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ছোটবেলার এক ‘বাজে অভ্যাস’-এর কথা নিজেই স্বীকার করেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, স্কুল জীবনে যেকোনো পরীক্ষায় তিনি প্রশ্নের উত্তরে অতিরিক্ত লেখা লিখতেন। সেই অভ্যাসের জেরেই নাকি তিনি ভালো নম্বর পেতেন। যদিও বন্ধুবান্ধবদের অভিযোগ ছিল, এত বেশি লেখার কারণেই হিরণ বাড়তি নম্বর পাচ্ছেন। অভিনেতার মতে, পড়াশোনার ক্ষেত্রে এই অভ্যাস তাঁর জীবনে লাভ এনেদিয়েছে।

তাঁর এই বক্তব্য সামনে আসতেই সমাজমাধ্যমে শুরু হয়ে যায় কটাক্ষের বন্যা। কেউ ব্যঙ্গ করে লেখেন, “ভাগ্যিস এই সময় বিদ্যাসাগর বেঁচে ছিলেন না, না হলে বিদ্যাসাগরের জায়গায় হিরণময় নাম আসত।” আবার কারও কটাক্ষ, “গুরু তুমি এখানে কেন, চাঁদে যাও।” অতিরিক্ত লেখার অভ্যাস থেকে শুরু করে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন—সবকিছু মিলিয়েই নেটদুনিয়ায় রীতিমতো হাসির খোরাক হয়ে ওঠে বিষয়টি।

আরও পড়ুনঃ “তখনও ‘প্রেম’ শব্দটার মানে জানতাম না, আমার ছোট্ট হৃদয় তার জন্যই…” বার্ধক্যে এসে ভাঙলেন নীরবতা! প্রথম ‘প্রেম’-এর গল্প বললেন বর্ষীয়ান অভিনেতা পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়! কে ছিল সেই প্রথম প্রেমিকা? কেন আজও মনে গেঁথে সেই অচেনা অনুভূতি?

এখানেই থামেনি আলোচনা, মজার ছলে আরও কেউ লিখেছেন, “বাবালে বাবা! আপনার আর একটা গুণ আছে, আপনি খুব ভালো ঢাক বাজান। আপনার প্রথম পক্ষের স্ত্রীকে একটা নোবেল দেওয়া উচিত আপনাকে ২৫ বছর সহ্য করার জন্য।” এই ধরনের মন্তব্যে যেমন হাসির রেশ রয়েছে, তেমনই রয়েছে তীব্র কটাক্ষও। সব মিলিয়ে হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের একটুখানি স্মৃতিচারণাই এখন সমাজ মাধ্যমে নতুন বিতর্ক ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

You cannot copy content of this page