ভালোবাসার দিনেই ধুমধাম করে বিয়ে সারেন টেলিপাড়ার চর্চিত জুটি রণজয় বিষ্ণু এবং শ্যামৌপ্তি মুদলী। শুটিং সেটে শুরু হওয়া বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে গড়ায় প্রেমে, আর সেই প্রেমই পেয়েছে পরিণতি। বিয়ের বয়স এখনও এক মাসও পেরোয়নি। তাই বিয়ের পর এটাই তাদের প্রথম দোল। স্বাভাবিকভাবেই বসন্তের এই উৎসব এ বছর দু’জনের কাছেই একটু বেশি স্পেশাল, একটু বেশি রঙিন। নতুন সম্পর্কের উচ্ছ্বাস, নতুন সংসারের দায়িত্ব—সব মিলিয়ে এবারের আবির যেন অন্যরকম অনুভূতির।
দোলের দিন সকাল থেকেই ব্যস্ততায় কেটেছে শ্যামৌপ্তির সময়। নতুন বৌ হিসেবে ইতিমধ্যেই সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন তিনি। বিশেষ দিনে স্বামী রণজয়ের জন্য নিজেই রান্না করেছেন, বানিয়েছেন মিষ্টি, এমনকি রেঁধেছেন চিকেনও। এর মধ্যেই ছিল শ্বশুরবাড়ি মধ্যমগ্রামে যাওয়ার পরিকল্পনা। তাই সকাল সকাল সব কাজ সেরে প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। তবে তার আগেই শহরের এক হোলি পার্টিতে দেখা যায় নবদম্পতিকে। লাল শাড়িতে সেজে ছিলেন শ্যামৌপ্তি, আর সাদা পাঞ্জাবির সঙ্গে রঙিন ওড়নায় দোলের সাজ সম্পূর্ণ করেন রণজয়।
বিয়ের পর কী কী বদল এসেছে তাঁদের সম্পর্কে? এই প্রশ্নের উত্তরে দু’জনেই জানালেন, বড় কোনও পরিবর্তন হয়নি। শ্যামৌপ্তির কথায়, “ও আগে থেকেই খুব রেসপন্সিবল ছিল। আর আমি যেমন ছিলাম, এখনও সেরকমই আছি। খুব একটা বেশি কিছু চেঞ্জ হয়নি।” অর্থাৎ সম্পর্কের ভিত যে আগেই মজবুত ছিল, বিয়ের পর তা আরও স্বাভাবিক ও সহজ হয়েছে বলেই মনে করছেন তাঁরা। তবে দায়িত্বের জায়গাটা যে বেড়েছে, সেটা দু’জনেই স্বীকার করেছেন—এবার একে অপরের বাড়িতে প্রথম দোল, সেটাই আলাদা আবেগ তৈরি করছে।
দোলের রঙ নিয়েও ছিল মিষ্টি খুনসুটি। প্রেমের সময় থেকেই কি প্রথম রং কি রণজয়ই লাগাতেন? উত্তরে হেসে শ্যামৌপ্তি জানান, “কোনও ম্যান্ডেটরি কিছু নেই। তবে আমরা একে অপরকে গালে আবির দিয়ে শুরু করতাম।” অর্থাৎ নিয়ম না থাকলেও এক অলিখিত অভ্যাস ছিল তাঁদের। এ দিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। শ্যামৌপ্তির প্রিয় রং লাল—ছোটবেলা থেকে সিনেমায় দেখে লাল রং-ই নাকি তাঁকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করে। রণজয়ের ক্ষেত্রেও সেই আবিরে রঙিন হয়ে ওঠে মুহূর্ত।
আরও পড়ুনঃ “অ’ত্যাচারের শি’কার নন, সবটা ভিত্তিহীন!” শঙ্কর ঘোষালকে মা’রধরের অভিযোগ, পরিবারের অভ্যন্তরীণ কল:হ বলে অস্বীকার স্ত্রী এবং পুত্রের! উল্টে অভিনেতাকেই কেন অ’ত্যাচারী তকমা দিলেন তারা?
ব্যস্ততার মধ্যেও দর্শকদের জন্য শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি এই নবদম্পতি। “হ্যাপি হোলি, সাবধানে দোল খেলবেন,”—এই বার্তাই দিয়েছেন তাঁরা। কাজ, পরিবার, দায়িত্ব—সব কিছুর মাঝেও সম্পর্কের সহজ হাসি আর পারস্পরিক বোঝাপড়াই যে সবচেয়ে বড় শক্তি, তা যেন আরও একবার প্রমাণ করলেন রণজয়-শ্যামৌপ্তি। বিয়ের পর প্রথম দোল তাই শুধু রঙের উৎসব নয়, বরং নতুন জীবনের প্রথম বসন্তের স্মৃতি হয়ে রইল তাঁদের কাছে।






“রামচন্দ্রকে আমি একদম পছন্দ করি না!” “লোকের কথায় নিজের স্ত্রীকে অগ্নিপরীক্ষা দিতে বাধ্য করেছিলেন! বলতে পারতেন না, আমার স্ত্রী, তাতে তোমাদের কী?” সীতাকে সবচেয়ে বড় অপমান করেছেন রাবণ না রাম? সতীত্বের প্রমাণ চেয়ে চরম সিদ্ধান্ত, প্রশ্ন তুলে ‘আদর্শ পুরুষ’ রামকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন মানসী সিনহা! অভিনেত্রীর যুক্তিতে সহমত দর্শক?