এমন মেয়েই তো চাই! চন্দনকে উচিত শিক্ষা দিয়ে নিজের অধিকার বুঝে নিল বিপাশা! মনের কথায় বিরাট ধামাকা

জি বাংলার (Zee Bangla) অন্যতম একটি চর্চিত ধারাবাহিক ‘কার কাছে কই মনের কথা’ (Kar Kache Koi Moner Kotha)। এই ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী মানালি দে (Manali Dey)। তাঁর চরিত্রের নাম ‘শিমুল’। ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, ছাত্রীর সঙ্গে স্বামীর পরকীয়ার কারণে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল শিমুল আর পরাগের।

কিন্তু ডিভোর্সের পরেও শাশুড়ি এবং মানসিক ভারসাম্যহীন ননদের দেখাশোনার জন্য শ্বশুরবাড়িতে রয়ে গিয়েছিল সে। ঘটনাক্রমে প্রাক্তন স্বামী পরাগকে বিষ দিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগে জেল হেফাজতে থেকেছে শিমুল। তবে তদন্ত সাপেক্ষে সব অভিযোগ l উড়িয়ে সসম্মানে আবার ফিরেও এসেছে শিমুল।

সেই শিমুলই সব ভুলে প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে দেখে বিরক্ত দর্শকমহল। এদিনের এপিসোডে দেখা যায়, বেশ তোড়জোড় করেই চলছে পরাগ ও শিমুলের গাটঁছড়া। বাড়িতে খুশির আবহ। ফের আরেকবার পরাগের সঙ্গে হয়েছে মালাবদল, সিঁদুর দিন। খুশি শিমুলের বন্ধুমহলও। তবে বিপাশার জীবন সুখ উড়ে গিয়েছে।

বিপাশার স্বামী চন্দন তার দ্বিতীয় স্ত্রী মধুরিমাকে তাদের বাড়িতে এনেছে। কারণ মধুরিমা সন্তানসম্ভবা। চন্দন এখন মধুরিমা আর আসন্ন সন্তান নিয়ে সুখে শান্তিতে ঘরকন্না করতে চায়। আর চন্দনের মাও বিপাশা বাড়ি থেকে চলে যাক। তবে নিজেই হকটা বুঝে নেবে বিপাশা। চন্দনের ওই সিকি পয়সার কাছে মাথা নোয়াবে না সে। নিজের হক বুঝে নেবে।

আরো পড়ুন:ঘোর বিপদ নাচছে তিস্তার কপালে, জীবন বিমার পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হাতাতে কোন পথ বেছে নেবে ভিক্টর?

তীব্র বাকবিতণ্ডা চলতে থাকে দুপক্ষের। তখনই ঘরে ঢোকে মধুরিমা। বিপাশার বিরুদ্ধে সেও দলে ভিড়েছে। চন্দনতো রীতিমতো কোর্ট কেস করার হুমকি দিয়ে বসে। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে অসহায় বিপাশা। সে কি পারবে নিজের লড়াই করে নিজের অধিকার ছিনিয়ে নিতে? নাকি চন্দনের কুকীর্তির কথা জেনেও সরে যাবে তার জীবন থেকে। জানতে হলে চোখ রাখুন জি বাংলার পর্দায়।

You cannot copy content of this page