স্টার জলসা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল ‘গাঁটছড়া’। যেখানে দর্শকের অত্যন্ত পছন্দের একটি জুটি হলো ‘খরিদ্ধী’। এই ধারাবাহিকের মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যায় অভিনেত্রী সোলাঙ্কি রায় এবং অভিনেতা গৌরব চ্যাটার্জিকে। তাদের দুজনের ক্যামেরার সামনে রসায়ন দর্শকের ভীষণ পছন্দের।
তবে কিছুদিন আগে থেকেই এই জুটিকে আর একসঙ্গে দেখতে পাচ্ছে না দর্শক। যার ফলে ‘গাঁটছড়া’র টিআরপি তালিকায় জনপ্রিয়তাও অনেকটা কমে গিয়েছিল। গল্পে দেখানো হয়েছিল ডি-য়ের চক্রান্তে খড়ি হারিয়ে যায়। তারপরে ধারাবাহিকে নেওয়া হয় এক বছরের লিপ। সেখানে দেখা যায় ঈশা নামে একটি চরিত্র এসেছে। তাকে দেখতে পুরোপুরি খড়ির মতো। কিন্তু ইশা প্রথম থেকেই নিজেকে খড়ি বলে মানতে নারাজ। তবে যতদিন এগিয়েছে তত বোঝা গেছে খড়ি ডি এর এবং তার স্ত্রী অর্থাৎ ভালো মায়ের চক্রান্তের শিকার।
সম্প্রতি একটি পর্বে দেখা গেছে খড়ির সবকিছু মনে পড়ে গেছে কিন্তু যে ক্রুজে তাদের বিয়ে হচ্ছিল সেখানে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে গেছে। তারপর থেকেই খড়ি এবং ঋদ্ধিকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সেখানে দেখানো হয়েছিল দুর্ঘটনাটি ঘটনার আগে খড়ি এবং ঋদ্ধি দুজনে জলে ঝাঁপ দেয়। এর পরেই দেখা যায় তারা একটি জঙ্গলে ছুটছে এবং সেখানে তাদের উপর হামলা করেছে কিছু গুন্ডা।
এখন তারা গুন্ডাদের থেকে বেঁচে বেড়াচ্ছে।আবার একবার খরিদ্ধীকে একসঙ্গে পেয়ে দর্শকরা বেজায় খুশি হয়ে গেছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে একটি ছবি। যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি ছবি যেখানে খড়ি এবং ঋদ্ধির সঙ্গে রয়েছে এক খুদে সদস্য। তাও আবার সে বসে রয়েছে ঋদ্ধির কোলে, তবে কি মিঠাইকে টেক্কা দিতেই ধারাবাহিক নির্মাতারা নিল এই নতুন পদক্ষেপ! উঠেছে নানান প্রশ্ন।

তবে সেই ছবি ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে গৌরব এবং সোলাঙ্কির শুটিং সেটের বসে স্ক্রিপ্ট পড়ার একটি ছবি সেটাকে এডিট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছে। আর সেই ছবিটি এডিট করে গৌরবের কোলে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে একটি ছোট বাচ্চার ছবি। বোঝাই যাচ্ছে যে কোনো ভক্ত মজা করে তার নিজের কল্পনাকে এখানে ফুটিয়ে তুলেছে। তবে সেই ছবি নিয়ে এখন নেট দুনিয়ায় রীতিমতো হইচই পড়ে গেছে।






“স্ত্রী হিসেবে ওর সঙ্গে থাকা যায় না” দেবশ্রী রায়কে নিয়ে বি’স্ফোরক মিঠুন চক্রবর্তী, দিলেন ‘খামখেয়ালী ও খিটকেল’ তকমা! প্রসেনজিতের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর, দ্বিতীয়বার সংসার পাতেননি অভিনেত্রী! হঠাৎ তাঁকে নিয়েই বর্ষীয়ান অভিনেতার এমন মন্তব্যের নেপথ্যে কী কারণ?