স্টার জলসার (star jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘গৃহপ্রবেশ’ (Grihoprobesh) প্রতিদিনই দর্শকদের চমকে দিচ্ছে একের পর এক নাটকীয় মোড়ে। সম্পর্কের টানাপোড়েন, মিথ্যের জাল, আর সত্যি উদ্ঘাটনের অদম্য লড়াই—সব মিলিয়ে এখন শুভ আর মোহনার দ্বন্দ্বই গল্পের মূল কাহিনি হয়ে উঠেছে। আজকের পর্বে ফের সামনে এল শুভর নতুন সিদ্ধান্ত, যার ভিত্তিতেই পাল্টে যেতে পারে রয় পরিবারের ভবিষ্যৎ।
আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, শুভ স্পষ্ট জানিয়ে দেয় আদিকে, তার সঙ্গে হাত মেলানো ছিল শুধুই মোহনার মুখোশ খোলার উদ্দেশ্যে। অতীতের বিশ্বাসভঙ্গ আজও ভুলতে পারেনি শুভ। যদিও আদি কাঁধে হাত রেখে বোঝানোর চেষ্টা করে, মিথ্যে বলার একমাত্র কারণ ছিল শুভকে হারানোর ভয়। এই আবেগঘন কথোপকথনের মাঝেই আসে ঠাম্মি, যিনি স্পষ্ট বলেন—মোহনার মুখোশ এবার খুলতেই হবে। কারণ তার উপস্থিতিতে বাড়িতে অশান্তি বেড়েই চলেছে।
ঘরের কলিং বেল বাজতেই স্টিফেনি দিদি দেখতে যান কে এসেছে। দরজায় এসে দাঁড়ায় পুলক। এসেই শুভকে জড়িয়ে ধরে বলেন, এবার সব ঠিক হবে। পুলক বুঝতে পারেন শুভর কষ্ট, বোঝান যে ওর জন্যই বাড়িতে শান্তি ফিরবে। তিনি জোর দেন শুভর বাড়ি ফেরার ওপর, কিন্তু শুভ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়—মোহনার মুখোশ খুলে না ফেলা পর্যন্ত সে কিছুতেই ফিরবে না। কারণ, মোহনা সত্যিই কি মিথ্যে বলছে, তা সে জানে না, কিন্তু সে নিশ্চিত কিছু একটা গোপন করছে।
এদিকে ডোনাকে ফুঁসিয়ে তুলতে থাকে মোহনা। বলে, ডোনা এই বাড়ির ছোট বউ, তবুও সকলেই তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। তখনই হাজির হয় ঋদ্ধি। ঘরের মধ্যে কথা বলতে চাইলেও ডোনা বলে এখানেই বলতে। ঋদ্ধি জানতে চায়, কেন ডোনা শুভ আর দাদাভাইয়ের বিষয়ে কু-মন্তব্য করছে? উত্তরে ডোনা বলে, সে শুধু সত্যিটাই বলছে। দু’জনের মধ্যে তর্ক বাড়তে থাকে, আর ডোনার ব্যবহার আরও খারাপ হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুনঃ সুচিত্রাকে কোনওদিনই মহানায়িকা মনে করতেন না ঋত্বিক ঘটক!মহানায়িকাকে নিয়ে ছিল তীব্র আপত্তি! কেন তাঁকে কখনই মেনে নিতে পারেননি? কারণ জানলে চমকে উঠবেন!
সবশেষে, শুভ সবাইকে বিদায় দিয়ে নিজের ঘরে বসে চিন্তা করতে থাকে। ভগবানের কাছে প্রার্থনা করে যাতে মোহনার আসল রূপটা প্রকাশ্যে আনতে পারে। তবে শুভ জানে না, সত্যিই কি মোহনা মিথ্যে বলছে, নাকি তার ভয়টাই অমূলক? আদিও সন্দেহ করছে মোহনার কিছু কার্যকলাপে। শুভর মনে একটাই কথা—এই সন্দেহ আর দ্বন্দ্বের অবসান হোক, সত্যিটা এবার সকলের সামনে আসুক। এই অদৃশ্য দ্বন্দ্বই এবার ‘গৃহপ্রবেশ’-এ আনে এক নতুন মোড়।






“রামচন্দ্রকে আমি একদম পছন্দ করি না!” “লোকের কথায় নিজের স্ত্রীকে অগ্নিপরীক্ষা দিতে বাধ্য করেছিলেন! বলতে পারতেন না, আমার স্ত্রী, তাতে তোমাদের কী?” সীতাকে সবচেয়ে বড় অপমান করেছেন রাবণ না রাম? সতীত্বের প্রমাণ চেয়ে চরম সিদ্ধান্ত, প্রশ্ন তুলে ‘আদর্শ পুরুষ’ রামকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন মানসী সিনহা! অভিনেত্রীর যুক্তিতে সহমত দর্শক?