জনপ্রিয় টেলি সিরিয়াল (Tele Serial) ‘অনুরাগের ছোঁয়া’ (Anurager Chhowa)। স্টার জলসার (Star Jalsha) সর্বাধিক চর্চিত এই ধারাবাহিক এক সময়ে টিআরপি তালিকায় (trp list) স্থান হত এক বা দুইয়ে। তবে সম্প্রতি ধারাবাহিকের টিআরপি খানিক পড়েছে। প্রথম পাঁচ থেকে ছিটকে গেলেও, সূর্য দীপার সম্পর্ক নিয়ে দর্শকদের উৎসাহের অন্ত নেই।
ধারাবাহিকের গল্পে এই মুহূর্তে, পৃথার আসল সত্যি জেনে গিয়েছে অর্জুন। আর পৃথা যে তার মা জানার পর থেকে মানসিক টানাপড়েনে ভুগছে সে। অর্জুনের এই অসহায়তার বারবার সুযোগ নিয়েছে পৃথা। খোকা ও অর্জুনের অনিচ্ছা ফের অর্জুনের বাড়ি এসে উঠেছে পৃথা। মনের স্পর্শকাতর জায়গায় লাগাতার ধাক্কা লাগায় অসুস্থ হয়ে পড়ে সে।
বাড়িতে ডাক্তার এসে অর্জুনের চিকিৎসা করে জানান স্ট্রেস থেকে অর্জুনের এমন অবস্থা হয়েছে। খানিক বিশ্রাম নিলেই ঠিক হয়ে যাবে। আর তখনই ফোন আসে পৃথার ফোনে। বাড়িতে কয়েকজন স্টুডেন্ট এসেছে তার। কি একটা দরকারে এক্ষুনি বেরিয়ে পড়তে হবে। দীপার মনে খটকা লাগে। কি এমন দরকার যে অসুস্থ ছেলেকে ফেলে চলে যেতে হচ্ছে তাই পৃথার পিছু নেয় দীপা।
পৃথা নিজের বাড়িতেই এসেছে। তবে দৃশ্য দেখে অবাক বনে যায় দীপা। এক ছেলে অসুস্থ, অন্যজন হাসপাতালে মৃত্যু সজ্জায়। আর পৃথা বাড়িতে কিটি পার্টির আয়োজন করেছে। ম’দ খাচ্ছেন। চলছে জুয়ার আসর। পৃথার আসল রূপ বেরিয়ে আসে দীপার সামনে। আর দীপা মুখোমুখি হতেই ফের দীপাকে গালগপ্পো দেন পৃথা। বুঝিয়ে সুঝিয়ে কোনো রকম দীপাকে দমানো যায়।
অপরদিকে, পৃথা আর ভিক্টরকে হাড়ে হাড়ে চিনে গেছে তিস্তা। মা-ছেলে স্বার্থ ছাড়া কিছুই বোঝে না। ছেলের নামে এফআইআর দায়ের করলেও তা যে উদ্দেশ্য প্রণোদিত। পৃথাদেবীর অর্জুনের বাড়িতে ফিরে আসা মানে নয়া সর্বনাশ ঘনিয়ে আসা বুঝতে বাকি থাকে না। তিস্তা সব কথা খুলে বলে প্রবীরকে। তিস্তা আর প্রবীর কি পারবে আসন্ন বিপদের হাত থেকে অর্জুনকে?






“বাজি আমরা ফাটাব, বাজি ফাটালে দেখবেন অনেক অসুখ-বিসুখ চলে যায়”, “আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, কালীপুজোয় বাজি তো হবেই!” বাজি ফাটালে রোগ সারে, পাপিয়া অধিকারীর মন্তব্যে তোলপাড়! “শব্দবাজি পোড়ালে ঠিক কোন কোন অসুখ কমে তালিকাটা যদি দাও” বিজেপি বিধায়ক তথা অভিনেত্রীকে একহাত নিলেন শ্রীলেখা মিত্র!