জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে সম্প্রচারিত হওয়া অত্যন্ত চর্চিত এবং জনপ্রিয় ধারাবাহিক হচ্ছে ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul)। ধারাবাহিক শুরু হওয়ার এতগুলো মাস পরেও এই ধারাবাহিকের টিআরপি এতটা ভালো দেখে চমকে যেতেই হয়। এবং বলতেই হয় ধারাবাহিকের গল্প দর্শকদের ভালো লাগছে।
এই ধারাবাহিকের গল্প এবং গল্পের প্লট দারুণভাবে মুগ্ধ করেছে দর্শকদের। আর সেই ধারাবাহিক দেখেই মুগ্ধ হয়ে গেছেন দর্শকরা। এই ধারাবাহিকের গল্প এখন দর্শকদের কাছে দারুন হিট। আর হবে নাই বা কেন? বলাই বাহুল্য গল্পের মধ্যে যদি উত্তেজনা থাকে তাহলে সেই ধারাবাহিক দর্শক টানবেই। আর সেটাই হয়েছে এই ধারাবাহিকের ক্ষেত্রে।
যারা এই ধারাবাহিকের নিত্যদিনের সঙ্গী তারা জেনে থাকবেন কিছুদিন আগেই বেল পেয়েছে রূপ। এই ধারাবাহিকের সাম্প্রতিক পর্বে দেখা গেছে পুলিশের গাফিলতির ফলে জামিনে ছাড়া পেয়ে গেছে রূপ। আর তারপরই মেঘের ক্ষতি করতে তৎপর হয়ে উঠেছে সে। কারণ মেঘের জন্যই জেলে গিয়েছিল সে।
এরপর থেকেই সে লাগাতার চেষ্টা করে চলেছে মেঘের ক্ষতি করার। সেই জন্য সে ময়ূরীকে নিজের দলে টেনে নিয়েছে। মেঘের প্রতিটি মুহুর্তের খোঁজখবর রূপকে দিচ্ছে ময়ূরী। নিজের স্বার্থের জন্য নিজের ছোট বোনকেই মেরে ফেলতে চায় সে।
এই ধারাবাহিকের এই দিনের পর্বে দেখা যায়, মেঘ তার বাবার সঙ্গে পুজোতে একসঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছে। তারা প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরছে ফুচকা খাচ্ছে আর আনন্দ করছে। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই মেঘের সব আনন্দ বিভীষিকায় পরিণত হয়। মেঘ বুঝতে পারে তাকে কেউ ফলো করছে। সে বুঝে যায় জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর রূপ ফলো করছে তাকে। কিছুটা হলেও ভয় দেখা যায় তার মনে। বাবা চিন্তা করবে বলে মেঘ আর তাকে কিছু বলে না। কিন্তু সংশয় বাড়তে থাকে। কি হতে চলেছে মেঘের সঙ্গে?






“বিদেশের জীবন বাইরে থেকে যতটা ঝকঝকে লাগে, বাস্তবে ততটা সহজ নয়” “সফল হওয়াটাই সব নয়, যে মানুষগুলো তোমার জন্য জীবন কাটিয়ে দিল তাদের দিকেও তাকাতে হবে” কলকাতা বৃদ্ধাশ্রমে রূপান্তরিত হচ্ছে! নিজের উন্নতিতে যেন বাবা-মায়ের একাকীত্ব লুকিয়ে না থাকে, নতুন প্রজন্মকে কী বার্তা মমতা শঙ্করের?