খু’নের অভিযোগে বিপাকে মিঠি-কমলিনী, রক্ষা করতে এগিয়ে এল স্বতন্ত্র! প্লুটোর লেখা চিঠি ঘিরে পুলিশের অবস্থান চ্যালেঞ্জের মুখে! ভালোবাসার বোঝা, নাকি মানসিক ইন্ধন? প্লুটো মৃ’ত্যুর রহস্যে উত্তপ্ত ‘চিরসখা’!

স্টার জলসার ‘চিরসখা’র (Chiroshokha) ধারাবাহিকের আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, অধরা মাধুরীতে পুলিশ এসে হাজির। কমলিনী আর মিঠিকে খুঁজছে তাঁরা, খু’নের অভিযোগের ভিত্তিতে। পুলিশকে দেখা মাত্রই বর্ষা আর বাবলাই বরাবরের মতো নিজের মাকে খোঁচা দিয়ে কথা বলতে শুরু করে। বর্ষার কথায়, আগে মা ডাকটা শুনলে যেখানে মায়ের মুখ মনে পড়তো, সেখানে এখন বিভীষিকা মনে হয়। আরও ব্যঙ্গ করে বলে আর কত কি দেখা বাকি!

বাবলাই তার বউয়ের কথা সমর্থন করে বলে, সেও দেখতে পাচ্ছে অনেক কিছু। কমলিনীর মাসি শাশুড়ি নাতি আর তার বউয়ের এমন আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে বুবলাইকে বলে, যখন অনেক কিছু দেখতেই পাচ্ছে তখন আখের সমর্থন করা উচিত, না করতে পারলে চুপ থাকা দরকার। এদিকে পুলিশ জানায়, কমলিনীকে থানায় যেতে হবে, কারণ অনন্যা অভিযোগ করেছে প্লুটোকে আ’ত্মহ’ত্যার পেছনে নাকি কমলিনীর মানসিক ইন্ধন আছে। আবারও কমলিনীর মাসি শাশুড়ি প্রতিবাদ করেন।

তিনি বলেন, এখন যদি তিনি আ’ত্মহ’ত্যা করে পুলিশের নামে অভিযোগ করেন মানসিক ইন্ধনের, তাহলে সেটা কতটা গ্রহনযোগ্য হবে! মিঠি নিজের বলে যে, তার মা নয় বরং সে-ই প্লুটোকে শেষবার আঘাত করেছিল মানসিক ভাবে। নিজের সঙ্গে প্লুটোর সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে মিঠি ভেঙ্গে পড়ে। কুর্চি মিঠির হয়ে বাকি সত্যিটা বলে যে, বিয়ের আগের দিন ভাবি স্ত্রীর সামনে মিঠিকে প্রেম প্রস্তাব দিয়েছিল প্লুটো। প্রাক্তন হিসেবে সেই প্রস্তাব অত্যন্ত অপমানজনক লেগেছে মিঠির।

সেদিন মিঠি তাতে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল। কিন্তু তার সঙ্গে আ’ত্মহ’ত্যার কোনও সম্পর্ক থাকতে পারে না। বাবিল মিটিলকে ফোন করে সমস্ত ঘটনা জানায়। মিটিল আবার স্বতন্ত্রকে বিষয়টা খুলে বলে। দুজনেই এরপর ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয়। স্বতন্ত্র জানায় চার অভিযোগের এই বাড়িতে পুলিশ এসেছে, তিনি তাঁর পরিবারের সদস্য। এসব পারিবারিক বিষয়ে তদন্ত না করে পুলিশ কী করে কাউকে গ্রেফতার করতে পারে?

প্লুটো মৃত্যুর আগে একটি চিঠিতে সমস্ত সত্যি লিখে দিয়ে গেছে, তাই প্রমাণ ছাড়া কমলিনী এবং তার মেয়েকে পুলিশ এভাবে বিরক্ত করতে পারে না। উল্টে স্বতন্ত্র মানহানির মামলা করার হুশিয়ারি দেয় পুলিশকে। চাপের মুখে পড়ে পুলিশ জানায়, অনন্যা মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে তাদের কাছে অভিযোগটি করেছিল। বারবার বিরক্ত করছে, তাই পক্ষকে মুখোমুখি বসিয়ে মিটমাট করাতে চেয়েছিল পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ সাজসজ্জা থেকে আচরণ, বিচ্ছেদের পর সবেতেই আমূল পরিবর্তন সুস্মিতার! “ওনার কাণ্ডকারখানা বড়ই অদ্ভুত লেগেছে!” “এত হামবড়া ভাব কেন? উনি কি সত্যিই এত বড় সেলিব্রিটি?”— সুস্মিতার বাউন্সার ‘শো-অফ’ নিয়ে কটাক্ষ নেটিজেনদের!

স্বতন্ত্র জানায় তার দরকার হবে না, কারণ সে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এলেই প্লুটোর লেখা চিঠি থানায় জমা করবে। মিটিল এদিকে বলে, মনোবিদ হিসেবে তার মনে হয় সন্তানদের ওপর মা-বাবারা অতিরিক্ত ভালোবাসা দেখাতে গিয়ে অনেক কিছু চাপিয়ে দেয়। ছোট থেকেই এমন পরিস্থিতির শিকার হতে হতে, একসময় সন্তান এমন চরম পদক্ষেপ নিয়ে ফেলে। প্লুটোর ঘটনাটাও একই রকম।