“বাবার মতো হলেও বাবা নয়!”— নতুনকে একের পর এক কটাক্ষে আঘাত করল মিঠি! ‘চিরসখা’-য় সম্পর্কের সংজ্ঞা পাল্টে দিল মিঠি, নতুনকে নিয়ে কমলিনীর সিদ্ধান্তে প্রশ্ন তুলল সে! নতুনের উপস্থিতি নিয়ে বিস্ফোরণ, আবেগ-অভিমান আজকের জমজমাট পর্ব!

স্টার জলসার ‘চিরসখা’র (Chiroshokha) ধারাবাহিকের আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, মিঠিকে নিয়ে কমলিনী আর কুর্চি মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাচ্ছে। রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে কমলিনী জানায়, আজকাল মিঠির ব্যবহার তার মোটেও ভালো লাগছে না। যে নতুন কাকুকে বাবার মতো দেখে এসেছে মিঠি এতদিন, তাঁকেই কটু কথা বলে অপমান করছে এখন! মিঠি বলে, বাবার মতো কিন্তু বাবা নয় নতুন কাকু। আর প্লুটোর চলে যাওয়ার পর সে বুঝতে পেরেছে যে, প্লুটোর একটা বড় অভিমানের জায়গা কী ছিল।

মিঠির কথায়, নতুন কাকুর সবসময় নিজের বাড়ি ছেড়ে মিঠিদের বাড়িতেই পড়ে থাকা নিয়ে প্লুটো দুঃখ করত। আগের দিনের প্রসঙ্গ তুলে মিঠি বলে, কোনও দরকার ছিল না নতুনের আসা তাদের বাড়িতে আর মিটিল বা কেন তাঁকে ডাকতে গেল! মিঠি জানায়, তার দাদার কিছু ভুল বলে না, নিজেদের সমস্যা নিজেরাই সমাধান না করতে পারলে কোনদিনও স্বনির্ভর হতে পারবে না। কুর্চি প্রতিবাদ করে বলে, মিঠির দাদারা মাকে আর নতুনকে ছোট করে কিন্তু মিঠি কেন এমন বলছে!

Star Jalsha Serial Chiroshokha 30 Aug Episode Update

মিঠি রেগে গিয়ে বলে, মায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতেই সে যদি বাজে মেয়ে হয়ে যায়, তাহলে কিচ্ছু করার নেই। কমলিনীকে মিঠি সরাসরি বলে, যদি কোনও সম্পর্ক বা ভালোবাসা না থাকে, তবে বাবার অবর্তমানে কেন তার বন্ধুকে বাড়িতে জায়গা দিয়েছিল সে! কুর্চি এবার বলে, কমলিনীকে সবাই ভালবাসে এটা প্রমাণিত সত্য। মিঠির কথায় এই ভালোবাসা অন্য। কমলিনীও প্রতিবাদ না করে বলে, চিরকাল নতুন তার পাশে থেকেছে তবে কোনদিনও সেই অর্থে ভালোবাসা প্রকাশ পায়নি।

যে সময় নতুন তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল, তখন সংসারে একজন পুরুষ মানুষের খুব প্রয়োজন ছিল। এরপর মিঠি দেখে তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে গাড়ি নিয়ে এসেছে নতুন। কিছুতেই মিঠি নতুনের গাড়িতে করে যেতে রাজি হয় না। রেগে গিয়ে মিঠি নতুনকে বলে, তাদের থেকে দূরে থাকতে। আরও অনেক কথা শোনায় নতুনকে, বলে বিদেশ চলে যাবে আর আসবে না। নতুন তবুও মিঠিকে বুকে টেনে নিয়ে মেয়ের আখ্যা দেয়। পরক্ষণেই মিঠি ক্ষমা চায় নতুনকে কাছে।

আরও পড়ুনঃ “দেবের ঘাড়ে বন্দু’ক রেখে দল ওকে চালিয়েছে”- রুদ্রনীল ঘোষ! শুধু সিনেমার প্রমোশনের জন্যই বন্ধুত্ব নাকি এর পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব?

মিঠি জানায় যে তার মানসিক অবস্থা ভালো নেই বলে এসব করছে, কখন কাকে কী বলছে সেটা নিজেই বুঝতে পারছে না সে। অন্যদিকে প্লুটোর জন্য স্মরণসভার আয়োজন হয়েছে কলেজে। একে একে সবাই বক্তৃতা দিচ্ছে, প্রিন্সিপাল অনুরোধ করেন আর যেন কেউ প্লুটোর মতো মেধাবী সন্তানকে অবজ্ঞা না করেন। প্লুটোর সঙ্গে মৌয়ের বিয়ে হচ্ছিল, তাই অধিকার সূত্রে মৌকে মঞ্চে ডাকা হয়, এদিকে মিঠিও সেখানে এসে উপস্থিত হয়েছে।