আশির দশক থেকে আজ পর্যন্ত তাঁর কণ্ঠে অসংখ্য সুপারহিট গান। বলিউডে তাঁকে অনেকেই আদর করে বলেন সুরের সম্রাট। কিন্তু সঙ্গীতশিল্পী উদিত নারায়ণের জীবনের শুরুটা ছিল খুবই সাধারণ। একসময় মাসে মাত্র ১০০ টাকা উপার্জন করতেন তিনি। এখন তিনি কোটি টাকার মালিক। জন্মদিনের প্রাক্কালে ফিরে দেখা যাক এই শিল্পীর জীবনের পথচলার অজানা, সংগ্রামভরা অধ্যায়গুলো।
নেপালের কাঠমান্ডুতে একটি কৃষক পরিবারে জন্ম উদিতের। তাঁর গানের প্রথম অনুপ্রেরণা ছিলেন তাঁর মা, যিনি নিজেই ছিলেন লোকশিল্পী। ছোট থেকেই গান শুনে বড় হওয়া উদিত স্থানীয় মঞ্চে গান গেয়ে পরিচিতি পেতে শুরু করেন। যদিও তখন তাঁর নাম বা প্রতিভা নিয়ে খুব বেশি আলোচনা হয়নি।
১৯৭১ সালে প্রথম সুযোগ আসে কাঠমান্ডু রেডিওতে গান রেকর্ড করার। এতে কিছুটা পরিচিতি মিললেও বড় স্বপ্নপূরণের জন্য তিনি চলে আসেন মুম্বই। সেখানে শুরু হয় জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়— একটি হোটেলে চাকরি করে মাসে মাত্র ১০০ টাকায় দিন চলত। অজানা শহর, অভাব আর সংগ্রামের মাঝেই গানের স্বপ্ন আঁকড়ে ধরে ছিলেন তিনি।
অবশেষে ১৯৮০ সালে তাঁর জীবনে আসে সেই বদলের মুহূর্ত। ‘ঊনিশ বিশ’ ছবিতে মহম্মদ রফির সঙ্গে ‘মিল গয়া’ গানটি গেয়ে বলিউডে পা রাখেন উদিত। তারপর ধীরে ধীরে তিনি হয়ে ওঠেন সঙ্গীতজগতের অন্যতম জনপ্রিয় কণ্ঠ। ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘ধড়কন’, ‘তেরে নাম’, ‘বীর জারা’, ‘হম সাথ সাথ হ্যায়’— তাঁর গাওয়া গান আজও মানুষের মনে আবেগ জাগায়।
আরও পড়ুনঃ ‘কুসুম দোলা’র শাশুড়ি-বৌমা জুটি, মধুমিতা সরকার ও রীতা দত্ত চক্রবর্তী এবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’-তে নতুন রূপে! আগের মতো স্নেহময় সম্পর্ক, নাকি এবার টানাপোড়েন? অভিনেত্রী কী পার্থক্য অনুভব করছেন?
তবে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি বিতর্কও তাঁকে ছাড়েনি। চলতি বছরে একটি কনসার্টে সেলফি তুলতে আসা একজন মহিলা ভক্তকে হঠাৎ ঠোঁটে চুম্বন করার ভিডিও ভাইরাল হলে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। তবুও তাঁর অদম্য লড়াই, সুর আর সাফল্যের গল্প বহু মানুষকে আজও অনুপ্রাণিত করে।






‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকায় সংসার চলে, আবার দাদাদের বাইকও চলে…স্ত্রীরা স্বাবলম্বী হচ্ছে আর স্বামীরাও তেল ভরার টাকা পাচ্ছে!’ সায়নীর মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক, ভিডিও ভাইরাল হতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া নেটপাড়ায়!