মিঠুনের সঙ্গে সম্পর্কের পর বিয়ে করেন যোগিতা এবং মিঠুন। সুখী দাম্পত্য হওয়াটাই ছিল কাম্য। কিন্তু এমনটা আর হলো না। প্রেম করে বিয়ের পরেও অন্য সম্পর্কে জড়ালেন মিঠুন। আবার প্রেমিকা শ্রীদেবী। এমন অবস্থায় স্বামীর পরকীয়া মেনে নেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি। এরপরেই আত্মহত্যার পথে হেঁটেছিলেন তিনি।
১৯৭১ সালে ‘পরওয়ানা’ ছবির মাধ্যমে কেরিয়ার শুরু করা এই অভিনেত্রী ১৯৭৯ সালে বিয়ে করেন মিঠুন। যোগিতার বিয়ে নিয়েও একটি গল্প রয়েছে। তবে এই বিয়ের আগে কিশোর কুমারের স্ত্রী ছিলেন যোগিতা। এরপর মিঠুনকে বিয়ে করার কারণে কিশোর কুমার মিঠুনের পরবর্তী ছবিগুলোতে আর কাজই করেননি।
তবে সেই দাম্পত্যে আসে ছেদ। ১৯৮৫ সালে মিঠুন এবং শ্রীদেবীর মধ্যে একটি সম্পর্ক চলছে বলে খবর রটে যায়। এমনকী এও রটে গিয়েছিল যে গোপনে বিয়ে সেরে নিয়েছেন তাঁরা। মিঠুনের বিয়ে করা স্ত্রী যোগিতা বালি এই খবর হজম করতে পারেননি এবং মনের কষ্টে তিনি আত্মহত্যারও চেষ্টা করেন। পরে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান যে তিনি শ্রীদেবীকে মিঠুনের স্ত্রী হিসেবে মেনে নেন। এদিকে খবর বেরিয়েছিলো যে শ্রীদেবী চেয়েছিলেন মিঠুন যোগীতাকে ডিভোর্স দিক। কিন্তু মিঠুন এই শর্তে রাজি হননি। এরপরেই শ্রীদেবীর সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয় এবং দুজন আলাদা হয়ে যান।






“লাল পতাকা এখন তো শুধু বিরিয়ানির হাঁড়িতেই দেখা যায়, ওটাই ঢাকার কাজে লাগে…আলাদাই মেরুদণ্ডহীনতা ওদের” নির্বাচনী আবহে রাজ্যের তাপমাত্রা তুঙ্গে, এরই মাঝে শাসকদলের প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘লাল পতাকা’ কটাক্ষে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি!