“আমি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছি” “এতদিন সবাই ‘গে’ বলত, এখন হঠাৎ দু’শ্চরিত্র বানাচ্ছে!” দেবলীনা কাণ্ডের পর, নেটিজেনদের তীব্র আক্র’মণে ভেঙে পড়লেন সায়ক! ট্রোলিংয়ের নির্ম’মতার, মানসিক চাপে জর্জরিত হয়ে কী করছেন?

সমাজ মাধ্যম খুললেই যেই খবরটা এখন কমবেশি চোখেই পড়ছে যে, ‘দেবলীনা নন্দী’ (Debolina Nandy) হঠাৎ নিজেকে শেষ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রথমে সেই কথা বন্ধু ‘সায়ক চক্রবর্তী’কে (Sayak Chakraborty) জানিয়েছিলেন। বন্ধু এতগুলো ঘুমের ও’ষুধ খেয়ে ফেলেছে জানতে পেরে তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন এবং প্রাণে বেঁচে যায় দেবলীনা। তবে, দেবলীনার এই অবস্থার খবর থেকে শুরু করে হাসপাতালে একসঙ্গে ভ্লগ করা নিয়েও শুরু করে বহু বিতর্ক!

কেউ বলেছে সায়ক আর দেবলীনার এটা মিলিত পরিকল্পনা, জনপ্রিয়তা পাওয়ার লোভে। অন্য অনেকের মতে, এত কাছের লোক থাকতেও মৃ’ত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে সায়ককেই কেন ফোন করলেন তিনি? বিতর্কের আগুনে ঘি ঢেলেছে, সায়ক-দেবলীনার আন্তরিক সম্পর্ক। বরাবর তাদের এক সঙ্গে ছবি-ভিডিও নিয়ে অনেকেই নানান দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছে। তবে, এবার যেন মাত্রা ছড়িয়ে গেল সব! সায়াককে এখন দেবলীনার সংসার ভাঙার কারণ বলছেন কেউ, তো কেউ বলছে দুজনের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল!

অভিনেতা বারবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেও, কোনও লাভ হয়নি। ইদিন একটি ভিডিও করে তিনি বলেন “নেতিবাচক মন্তব্য আর মানুষদের সঙ্গে লড়াই করাটা খুব কঠিন। আমি কেমন যেন নিজেকে হারিয়ে ফেলেছি এসব করতে গিয়ে। তোমাদের কথায় হাসা উচিৎ নাকি কাঁদা, সেটাই বুঝতে পারছি না। একবার মনে হচ্ছে এইসব তো কোনও ব্যাপার না, অনেকের তো এমএমএস লিক হয়ে যায়। কত নেতা মন্ত্রীরা তো বেআ’ইনী কাজ করে ফেঁসে যায়, সেখানে আমি কিছু করিনি তাই গায়ে লাগাব না। কিন্তু পরক্ষণেই আবার গায়ে লেগে যাচ্ছে, তখন মনে হচ্ছে আমায় এমন বলল!

কতজনকে তো গা’লাগা’লি দিয়ে দিয়েছি, খুব শান্তি পেয়েছি। কেমন যেন মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে যাচ্ছি আমি। শুধু বলব যে, তোমরা এতটা নীচ মানসিকতার কেন? মানুষ হয়ে কী করে জন্মালে? বেঁচে কী করে আছো এই পৃথিবীতে?” তিনি আরও যোগ করেন, “আমি তো ভ্লগ করতেই ভয় পাচ্ছি, ক্যামেরা ধরতেই পারছি না। কিন্তু আমার এই খারাপ সময় সহযোদ্ধার মতো সঙ্গে লড়ছে কিছু বন্ধু এবং অনুরাগীরা। যেহেতু এখন এটাই আমার রুটি রুজি, সিরিয়াল সেভাবে নিয়মিত হয় না। ফলে সমাজ মাধ্যমে ভিডিও বানাতেই হবে।

আরও পড়ুনঃ ‘সম্পর্ক থাকাকালীন দিনের পর দিন একই বিছা’না ভাগ করেছি বলেই বিচ্ছে’দে ব্যবসা করব না!’ প্রাক্তন পিঙ্কিকে ৫৭ লক্ষ খোরপোশ বিতর্কে, সম্পর্ক আর বিচ্ছে’দ নিয়ে কাঞ্চনের বর্তমান স্ত্রী শ্রীময়ীর কড়া অবস্থান!

তবে, ভাবতে খারাপ লাগে যখন অভিনয় জগতেরই কেউ কেউ লাইভ করে চিৎকার করে যে আমি কেন হাসপাতালে ভ্লগ বানালাম। আচ্ছা, হঠাৎ করে তোমরা আমায় গে বলাটা বন্ধ করলে কেন? ভালোই তো এতদিন মেয়েদের মতো, গে এইসব বলতে। সেইসব বন্ধ করে এখন অন্য মেয়ের সঙ্গে অবৈ’ধ সম্পর্কে জোড়াচ্ছ!” এই মুহূর্তে সায়ক, আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছেন। অবশ্যই পাশে রয়েছেন তার অগণিত ভক্ত এবং কাছের মানুষরা। তবুও একজন র’ক্ত মাং’সের মানুষের মনের ক্ষত পূরণ হতে সময় লাগে।

You cannot copy content of this page