৯ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে অঙ্কুশ হাজরা ও ঐন্দ্রিলা সেন অভিনীত ছবি নারী চরিত্র বেজায় জটিল। একেবারে হালকা মেজাজের কমেডি ঘরানার এই ছবিটি মুক্তির পর থেকেই দর্শকের মন জয় করতে শুরু করেছে। হাসি, মজা আর সামাজিক বার্তার মিশেলে তৈরি এই ছবি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশংসায় ভরেছে নেটদুনিয়া। তবে মুক্তির আনন্দের মাঝেই ছবির সঙ্গে জড়িয়ে গেল এক অস্বস্তিকর ও দুঃখজনক ঘটনা, যা নিয়ে আলোচনায় সরগরম টলিপাড়া।
ছবি মুক্তির ঠিক আগের দিন অর্থাৎ ৮ জানুয়ারি কলকাতার নবীনা প্রেক্ষাগৃহের সামনে লাগানো অঙ্কুশ ও ঐন্দ্রিলার বিশাল কাটআউট ভাঙাচোরা অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ঘটনাটি নজরে আসতেই চমকে যান অনুরাগীরা। ছবির মুক্তির মুখে এমন ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিতে পারেননি অঙ্কুশ। কাটআউটের অবস্থা দেখে স্পষ্ট বোঝা যায় এটি কোনও দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পনা করেই এই কাজ করা হয়েছে বলে মনে করছেন সকলে।
ঘটনার গুরুত্ব বুঝে অঙ্কুশ দ্রুত পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে তিন থেকে চার জন ব্যক্তি বাঁশ নিয়ে এসে কাটআউটটি ভাঙচুর করছে। প্রত্যেকের মুখে মাস্ক ছিল, যা দেখে অনুমান করা হচ্ছে তারা আগেভাগেই নিজেদের পরিচয় গোপন রাখার প্রস্তুতি নিয়ে এসেছিল। পুলিশের হাতে ফুটেজ জমা পড়েছে এবং তদন্ত এগোচ্ছে নিজেদের গতিতে।
এই প্রসঙ্গে ছবির প্রিমিয়ারে মুখ খুলেছেন ঐন্দ্রিলা সেন। তিনি বলেন, বিষয়টি একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না। তাঁর কথায় স্পষ্ট হতাশা, কারণ ইন্ডাস্ট্রিতে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর বদলে যদি এমন ঘটনা ঘটে তাহলে ভবিষ্যতে কাজ করা কঠিন হয়ে যাবে। তিনি মনে করেন, শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে সহযোগিতা আর সৌহার্দ্যই একমাত্র পথ।
আরও পড়ুনঃ “আমি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছি” “এতদিন সবাই ‘গে’ বলত, এখন হঠাৎ দু’শ্চরিত্র বানাচ্ছে!” দেবলীনা কাণ্ডের পর, নেটিজেনদের তীব্র আক্র’মণে ভেঙে পড়লেন সায়ক! ট্রোলিংয়ের নির্ম’মতার, মানসিক চাপে জর্জরিত হয়ে কী করছেন?
অন্যদিকে অঙ্কুশ হাজরার গলায় ছিল ক্ষোভ আর আক্ষেপ দুটোই। তিনি বলেন, এই ছবির সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক বিতর্ক নেই, এটি নিছকই বিনোদনমূলক একটি কাজ। তাহলে এমন হামলার মানে কী, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। তাঁর মতে, কাটআউট ভেঙে আসল ক্ষতি হয়েছে সেই পরিশ্রমের, যা বহু মানুষের শ্রমের ফল। এই ঘটনা নিঃসন্দেহে দুর্ভাগ্যজনক এবং দুঃখের।






