দেখতে দেখতে এক বছর হয়ে গেল সুখে-দুখে মিষ্টিমুখে বাঙালি রয়েছে। জি বাংলার মিঠাই সিরিয়ালের কথা হচ্ছে। জনাই থেকে কলকাতায় সাইকেলে করে মিষ্টি বিক্রি করতে আসতো যে মেয়ে সে আজ মোদক পরিবারের ছোট বৌ। এখন মোদক পরিবারের মিষ্টির ব্যবসাও হইহই করে দেখে মিঠাই।
বর্তমানে সিরিয়ালের টিআরপি বেশ কমেছে। দেখতে দেখতে চতুর্থ স্থানে চলে গেছে মিঠাই। তবে মিঠাইতে এখন বেশ ভালই পর্ব দেখানো হচ্ছে।কিছুদিন আগে ছিল মিঠাই এর জন্মদিন এবং উচ্ছে বাবু যেভাবে সেই জন্মদিন সেলিব্রেট করেছে তা দেখে মিঠাই পুরো হেপ্পি হয়ে গেছে।
তবে এবার মিঠাই জোরদার বকা খাবে সিডের কাছে। আজকের এপিসোডে দেখা যাবে মিঠাই মিষ্টি দোকানে অনেকটাই সময় দিচ্ছে যার জন্য তার বাড়ি ফিরতে অনেক দেরি হচ্ছে। সিদ্ধার্থ টেসের সঙ্গে ঝগড়া করে চাকরি ছেড়ে এসেছে তাই সে এখন বাড়িতেই আছে। মিঠাইয়ের বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় পরিবারের বাকি দের সঙ্গে সেও চিন্তায় পড়ে গেছে।
মিঠাই অনেকটা রাত করে বাড়ি ফিরে আসবে ব্যবসা থেকে আর এর পরেই রেগে গিয়ে মিঠাইকে বকাবকি করবে সিদ্ধার্থ। সে বলবে যে পরিবারের জন্য কি মিঠাইয়ের কোন রেসপন্সিবিলিটি নেই?
বকাবকি শুনে মিঠাই কেঁদে ফেলবে এবং কাঁদতে কাঁদতে ঘর থেকে বেরিয়ে যাবে। পরে দেখা যাবে মিঠাইকে নিজের কাছে টেনে নিয়ে সিদ্ধার্থ বোঝাচ্ছে যে সে তো মিঠাই এর ভালোর জন্যই বকা বকি করেছিল।
সব মিলিয়ে আজকের এপিসোডটি জমজমাট হবে।বর্তমানে মিঠাই আর সিদ্ধার্থের রোমান্স দেখতে সাধারণ মানুষ বেশ পছন্দ করছেন আর আজকের এপিসোডটিও যে লোকের ভালো লাগবে এ কথা বলাই বাহুল্য।






“বিয়ে মানেই তো সিঁদুর-ফিদুর লেবড়ে-লুবড়ে…” বৈবাহিক সম্পর্কের ব্যাখ্যা দিতেই মন্তব্যে বিতর্ক উস্কে দিলেন কৌশিক সেন! ‘জীবনের ব্যাপ্তি শুধু লিভ ইন করলেই?’ ‘সত্যি কী ভাষা আপনার, ছিঃ!’ ‘পাবলিক ফিগার বলেই কি যা খুশি বলবেন?’ যারা শাঁখা-সিঁদুর পরে তাদের অপমানে, অভিনেতাকে ধুয়ে দিলেন ক্ষু’ব্ধ নেটিজেনরা!