প্র্যাঙ্ক নয়, সত্যিই বিচ্ছেদ…তারপর হঠাৎ মিল! ছবি প্রিমিয়ার থেকে খরাজের ছেলের বিয়েতে, হাত ধরাধরি করে হাজির সুদীপ-পৃথা! তবে কী তিক্ততা কাটিয়ে আবার হচ্ছেন এক? জল্পনা তুঙ্গে টলিপাড়ায়!

টলিউডে সম্পর্ক মানেই রোলার কোস্টার। কখনও বিচ্ছেদ, কখনও সহযাপন, কখনও আবার হঠাৎ মিল। সুদীপ মুখোপাধ্যায় এবং পৃথা চক্রবর্তীকে ঘিরে যে জলঘোলা চলছিল, তা দেখে মনে হচ্ছিল এই অধ্যায় বুঝি শেষ। এক সকালে পৃথা জানান একসঙ্গে থাকা আর সম্ভব নয়। সুদীপ প্রথমে বলেন এটি শুধু মজার ছলে করা প্র্যাঙ্ক। পরে নিজেই স্বীকার করেন এটি কোনও প্র্যাঙ্ক নয়, বরং নিখাদ সত্যি। সম্পর্ক ঘিরে নেটমাধ্যমে শুরু হয় নানা জল্পনা।

কিন্তু সেই দাম্পত্য টানাপোড়েন যেন আচমকাই গলে গেল। শুক্রবার খরাজ মুখোপাধ্যায়ের ছেলের জন্মদিনে দেখা গেল দুইজনকে হাত ধরে পাশাপাশি থাকতে। তাদের আচরণে যেন দীর্ঘদিনের দূরত্বের কোনও ছাপই নেই। হাসি, আড্ডা আর স্বাচ্ছন্দ্যের মাঝে তারা যেন আগের মতোই একে অপরের সঙ্গে ধরা দিলেন। উপস্থিত অতিথিরা অবাক হয়েই লক্ষ্য করলেন কীভাবে তিক্ততার জায়গা দখল করেছে স্বাভাবিকতা।

শোনা যাচ্ছে, দুই সন্তানকে সামনে রেখে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই তারকা দম্পতি। সন্তানদের ভবিষ্যৎ আর মানসিক স্থিতির কথা ভেবেই তারা নাকি আবার একই ছাদের নীচে ফিরেছেন। বলতে গেলে এটাই তাদের দ্বিতীয় সুযোগ, আর তার দায়িত্বও তাঁরা দু’জনেই সমানভাবে নিতে চাইছেন। সম্পর্কের ওঠানামা যতই হোক, দুই সন্তানের প্রতি মায়া তাদের ফের টেনে এনেছে একসঙ্গে।

কিছুদিন আগে বিচ্ছেদের কথা স্বীকার করে সুদীপ জানিয়েছিলেন এটি তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয়। তিনি পরিষ্কার করে বলেছিলেন পৃথাকে নিয়ে কোনও অপমান বরদাস্ত করবেন না। এটাও জানিয়েছিলেন যে দুজনের মধ্যে সম্মান বজায় আছে এবং বন্ধুত্ব অটুট। অন্যদিকে পৃথাও জানিয়েছিলেন তাঁরা আর একসঙ্গে না থাকলেও সম্পর্কের বন্ধুত্ব থাকবে আজীবন। সেই কথার প্রতিফলন যেন আরও একবার দেখা গেল জন্মদিনের অনুষ্ঠানে।

আরও পড়ুনঃ চিরসখা দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে শয্যাশায়ী অবস্থা থেকে হাঁটতে শুরু করেছেন এক ধারাবাহিক ভক্ত! ধারাবাহিকের ৩০০ পর্ব উদযাপনে অবিশ্বাস্য ঘটনা ভাগ করলেন সুদীপ মুখোপাধ্যায়! ‘চিরসখা ম্যাজিক’ কী করেছে জানেন?

এখন প্রশ্ন একটাই, এই পুনর্মিলন সাময়িক নাকি সত্যিই নতুন শুরুর ইঙ্গিত। তবে খরাজের ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে যে দৃশ্য উঠে এল তা দেখে মনে হতেই পারে, সব গল্পের শেষেই হয়তো থাকে নতুন অধ্যায়। কেউ কেউ হয়তো মনে মনে বলেও ফেলেছেন, ইয়ে রিশতা ক্যায়া কহলেতা হ্যায়, সম্পর্ক বলে কিছু যদি থেকে যায় তবে সে পথ আবার খুঁজে নেয়ই নিজের ঠিকানা।