নানান সময়ই শোনা যায় যে উত্তরপ্রদেশের পুলিশ না বেশ অত্যাচারী। তবে আজ এক পুলিশের কথা জানুন যিনি উত্তরপ্রদেশেরই পুলিশ কিন্তু তাঁর কথা জানলে আপনি অভিভূত হবেন। ঘটনাটি ঘটেছে কানপুরের গোবিন্দ নগর থানায়। এক ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা কাঁদতে কাঁদতে হাজির হন থানায়। তিনি জানান যে তাঁর ছেলে তাঁকে বাড়ি থেকে করে দিয়েছে।
তাঁর মুখে সমস্ত ঘটনা শুনে পুলিশ ইনচার্জ ওই বৃদ্ধাকে আশ্বস্ত করেন যে তিনি এই ঘটনার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করবেন। বৃদ্ধা মহিলার দুই ছেলের নাম মনোজ চৌরাশিয়া এবং রাকেশ চৌরাশিয়া। দুই ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে অবশেষে পৌঁছে যান ওই বৃদ্ধা। থানায় গিয়ে ওই বৃদ্ধা কাঁদতে কাঁদতে বলেন যে বড় ছেলে মনোজ এবং তার স্ত্রীর সম্পত্তি নিয়ে তাকে সব সময় কটু কথা বলেন। এমনকি অনেক সময় তাঁকে মারধরও করেন তারা, এমনও অভিযোগ করেন ওই বৃদ্ধা।
এরপর একসময় মনোজ ওই বৃদ্ধাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। শেষমেষ উপায় না পেয়ে থানায় এসে ছেলের নামে অভিযোগ করেন ঐ বৃদ্ধা।
মনোজের মা গোবিন্দ নগর থানার ইনচার্জ রোহিত তিওয়ারিকে সমস্ত ঘটনা জানান। সমস্ত ঘটনা শুনে রোহিত ওই বৃদ্ধাকে বলেন, “আজ থেকে আমি তোমার ছেলে। তুমি একদম কেঁদোনা। কাউকে ভয় পাওয়ার দরকার নেই। তোমার এই ছেলে তোমার বিচার করবে”।
এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই গোবিন্দনগর থানার ইনচার্জ রোহিত তিওয়ারি ওই বৃদ্ধার অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বড় ছেলেকে গ্রেফতার করেন। তাঁর গোটা পরিবারকে ডেকে আনা হয় থানায়।
ওই বৃদ্ধাকে অত্যাচার করার জন্য তিরস্কার করা হয় তাদের। তাদের সাবধান করা হয় যে এরপর যদি ওই বৃদ্ধাকে কোনওভাবে অত্যাচার করা হয়, তাহলে এর ফল ভালো হবে না। ওই পরিবার ভয় পেয়ে বৃদ্ধাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে।






“হ্যাঁ গো বোনু, তোমার আর তোমার ‘বান্ধবী’র ভ্লগ…” অনন্যার ‘জোকার’ মন্তব্যের পর, হবু বর সুকান্তকে খোঁচা মে’রে স্যান্ডির সপাটে জবাব!