ইপ্সিতা আবেগভরে মনে করলেন অনন্যাদির কথা, যাঁকে তিনি নিজের আর এক মা বলেই মনে করেন। আজ থেকে প্রায় চব্বিশ বছর আগে ‘সুবর্ণলতা’ ধারাবাহিকের সময় একসঙ্গে কাজ করেছিলেন তাঁরা। তখন ইপ্সিতা ছিল স্কুলপড়ুয়া। সেই ছোটবেলার দিনগুলো ছিল আদর, শাসন, শেখানো আর অগণিত সুন্দর স্মৃতিতে ভরা, যা আজও তাঁর মনে উজ্জ্বল হয়ে আছে।
ইপ্সিতা জানান, শুটিং সেটে অনন্যাদি নিজে ডেকে তাঁকে দৃশ্যের রিহার্সাল করাতেন। কোথাও ভুল হলে ধৈর্য নিয়ে বুঝিয়ে দিতেন, আবার মজার মধ্যেই কাজ শেখাতেন। সেটে তিনি অনন্যাদিকে মা বলেই ডাকতেন, আর আজও দেখা হলে সেই সম্বোধনই করেন। এত বছর কেটে গেলেও তাঁদের সম্পর্কের উষ্ণতা এবং স্নেহ একটুও বদলায়নি।
সেই সময়ের জীবনযাত্রাও ছিল অনেক সহজ ও প্রাণবন্ত। তখন ক্যাফে বা মোবাইল ফোনের এত বাড়বাড়ন্ত ছিল না। শুটিং শেষ হলে পুরো টিম একসঙ্গে সময় কাটাত, পিকনিকে যেত, হাসি গল্পে মেতে উঠত। সেই মুহূর্তগুলোই তাঁদের সম্পর্ককে আরও গভীর ও মধুর করে তুলেছিল।
একটি বিশেষ ঘটনার কথা বলতে গিয়ে ইপ্সিতা আবেগে ভেসে যান। একবার পিকনিকে গিয়ে তিনি দূর থেকে মা বলে ডাকেন। তখন একসঙ্গে সাড়া দেন তাঁর নিজের মা এবং অনন্যাদি। সেই মুহূর্ত আজও তাঁর মনে গেঁথে আছে। অনন্যাদি প্রায়ই নিজের বাড়ি থেকে খাবার এনে তাঁকে খাওয়াতেন এবং যত্নে আগলে রাখতেন।
আরও পড়ুনঃ অভিজাত পার্টিতে গভীর রাতের কেলেঙ্কারি! মা’তা’ল অবস্থায় শিল্পপতির সঙ্গে, ঘনি’ষ্ঠতায় ধরা পড়লেন বিবাহিত টলিনায়িকা! এক রাতেই ওলটপালট সমীকরণ! টলিপাড়ায় তীব্র সমালোচনা, ঘনি’ষ্ঠ দৃশ্য ভাইরাল!
ইপ্সিতা মন থেকে চান আবার অনন্যাদির সঙ্গে কাজ করতে। তাঁর বিশ্বাস, অনন্যাদি সত্যিই অনন্য। তিনি কামনা করেন তাঁর এই আর এক মা যেন সবসময় সুস্থ ও ভালো থাকেন। চব্বিশ বছর পেরিয়ে গেলেও তাঁদের ভালবাসা আজও অটুট, ঠিক আগের মতোই গভীর ও আন্তরিক।






