অভিনেত্রী অদ্রিজা রায় সম্প্রতি প্রেমিক বিগ্নেশ আইয়ারের সঙ্গে আংটিবদল সেরে নতুন জীবনের এক সুন্দর অধ্যায়ে পা রেখেছেন। যদিও বিয়ের দিন এখনও নির্দিষ্ট নয়, তবু দুই পরিবারের মধ্যে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে আন্তরিক সম্পর্ক ও উষ্ণতা। কাজের ফাঁকে হবু স্বামী এবং শ্বশুর শাশুড়ির সঙ্গে গল্প আড্ডায় সময় কাটাতে বেশ পছন্দ করেন তিনি, যা তাঁদের সম্পর্ককে আরও স্বাভাবিক ও প্রাণবন্ত করে তুলেছে।
শ্বশুরবাড়ির প্রসঙ্গ উঠতেই অদ্রিজার কণ্ঠে শোনা যায় স্বাচ্ছন্দ্য ও আনন্দ। দুই ভাইয়ের পরিবারে তিনি হবেন বড় বৌ, এই ভাবনাই তাঁকে আলাদা এক দায়িত্ববোধ ও উচ্ছ্বাসে ভরিয়ে দেয়। পরিবারের সবার সঙ্গে সহজ মেলামেশা আর হাসি মজায় দিন কাটছে তাঁর। বিশেষ করে খাওয়াদাওয়া নিয়ে চলা মিষ্টি ঠাট্টা এখন তাঁদের সম্পর্কের অন্যতম রঙিন দিক।
খাবারের প্রতি অদ্রিজার ভালবাসা নাকি এখন পরিবারের সবারই জানা। একদিন ইলিশ মাছ আর তার তেল দিয়ে গরম ভাত পেয়ে তিনি এতটাই মুগ্ধ হন যে অজান্তেই তিনজনের ভাগের ভাত একাই খেয়ে ফেলেন। বিষয়টি চোখ এড়ায়নি বিগ্নেশের। পরে একই ঘটনা আবার ঘটলে মজার ছলে তিনি হবু শাশুড়ির কাছে অভিযোগ জানিয়ে পুরো ঘটনাটিকে আরও হাস্যকর করে তোলেন।
বিগ্নেশের সেই কথাতেই তৈরি হয় মুহূর্তের হাসির ঝড়। তিনি নাকি মাকে বলেছিলেন অদ্রিজা বাড়িতে এলে মাসে ১৫ কেজি চাল যথেষ্ট হবে না, ৩০ কেজি লাগবে। প্রথমে অবাক হলেও পরে পুরো ঘটনাটি শুনে শাশুড়িও হেসে ফেলেন। বরং তিনি আশ্বাস দেন, বাড়িতে ভাল রান্না হলে হবু বৌমা যেন তৃপ্তি করে খেতে পারেন, সেই দিকেই সবার আগে নজর রাখবেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ “নিজের বাড়িতেই হেনস্থার শিকার হয়েছি!”–অকপট অভিনেত্রী সোহিনী সরকার, নিজের জীবনের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা বললেন নায়িকা!
ভাষা ও সংস্কৃতির পার্থক্য নিয়েও অদ্রিজার ভাবনা বেশ ইতিবাচক। শাশুড়ি মরাঠি আর শ্বশুর তামিল হলেও পরিবারের ভাষা শেখার চেষ্টা করছেন তিনি। একই সঙ্গে বিগ্নেশও শিখছেন বাংলা। অদ্রিজার বিশ্বাস, ভাষা কখনও ভালোবাসার বাধা হতে পারে না। বরং একে অপরের ভাষা শেখার মধ্যেই তৈরি হয় আরও গভীর বন্ধন ও বোঝাপড়া।






