স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কথা’ (Kothha) ধারাবাহিকভাবে দর্শকদের মুগ্ধ করে চলেছে শুরুর দিন থেকেই। পারিবারিক দ্বন্দ্ব, সম্পর্কের টানাপোড়েন আর কথার সংগ্রামের কাহিনি দর্শকদের মন জয় করেছে। সাম্প্রতিক পর্বগুলোতে কথার স্বনির্ভর হয়ে ওঠার লড়াই আরও স্পষ্ট হয়েছে। তবে তার এই সিদ্ধান্ত বাড়ির সবাইকে একপ্রকার দুই ভাগে ভাগ করে ফেলেছে।
আজকের পর্বে সেই দ্বন্দ্ব আরও গভীর হতে চলেছে, যেখানে কর্তাদাদু এমন এক সিদ্ধান্ত নেবেন যা গোটা পরিবারকে নাড়িয়ে দেবে। আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, কর্তাদাদু নিজে বাজার করে এনেছেন। সবাই অবাক হয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আজ থেকে তিনি নিজের খাবার নিজেই তৈরি করবেন এবং আর পরিবারের কাউকে তার প্রয়োজন নেই। কর্তাদিদা হতবাক হয়ে জানতে চান এমন সিদ্ধান্তের কারণ।
উত্তরে কর্তা দাদু বলেন, অগ্নির সঙ্গে মতবিরোধের সময় কেউ তার পাশে দাঁড়ায়নি, তাই এবার তিনি একাই থাকবেন। ছোটকা প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, “এখন ২০২৫ সাল! মেয়েরা বাইরে গিয়ে কাজ করবে না, এটা কীভাবে সম্ভব?” কিন্তু কর্তাদাদু নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন এবং স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তার বাড়ির মেয়েরা কোনো দিনও কাজের জন্য বাইরে যাবে না, সেটা যে বছরই হোক না কেন। চিত্রা সবসময়ই সুযোগের অপেক্ষায় থাকে, তাই এবারও সে আগুনে ঘি ঢেলে দেয়।
সে বলে, “আমারও তো অনেক স্বপ্ন ছিল, কিন্তু বাবার কথা শুনে আমি কোনোদিনও নিয়ম ভাঙিনি! তাহলে কথা কেন করবে?” এই কথায় পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ে। এরই মধ্যে কথা এসে কর্তাদাদুর কাছে হাতজোড় করে সব ঠিক করার অনুরোধ করে। কিন্তু কর্তা দাদু কোনোভাবেই নিজের অবস্থান থেকে সরতে রাজি নন। অন্যদিকে, অগ্নি এই বিষয়ে মাথা ঘামাচ্ছে না, সে নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত।
আরও পড়ুনঃ “Me Too বহুদিন ধরে রয়েছে, ঘরের কোণায় কোণায়, এটা বহু পুরনো রোগ”, বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে Me Too নিয়ে বিস্ফোরক গার্গী রায়চৌধুরী
কথা অগ্নিকে জানায় কর্তা দাদুর সিদ্ধান্তের কথা, কিন্তু অগ্নি শুধু বলে, “তুমি কারোর কথায় কান দিও না, নিজের পরিচয় গড়ে তুলতে শেখো!” কিন্তু কথার কাছে এই পরিস্থিতি সামলানো সহজ নয়। সে বুঝতে পারে না, কীভাবে কর্তা দাদু এবং অগ্নির মধ্যে চলতে থাকা এই সংঘাত মেটাবে। মানসিক চাপে সে বাগানে গিয়ে কাঁদতে থাকে। তখন কর্তাদিদা এসে তাকে বোঝান, “তুমি আগেও অনেক কঠিন পরিস্থিতি সামলে নিয়েছো, এবারও তুমি পারবে
এই পরিবারে একমাত্র তুমিই পারো দাদু-নাতির এই দূরত্ব কমাতে!” কর্তা দিদার কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে কথা সিদ্ধান্ত নেয় বড় কর্তাদাদুর সঙ্গে কথা বলবে। কিন্তু ফোনে তাকে না পাওয়ায় সে পুরো পরিবারকে তৈরি হতে বলে, কারণ এবার সে স্বয়ং বড়কর্তার বাড়িতে যাবে! এখন প্রশ্ন, কথা কি পারবে এই সংঘাত মেটাতে? কর্তা দাদু কি নিজের সিদ্ধান্ত বদলাবেন? নাকি পরিবারের মধ্যে আরও বড় দূরত্ব তৈরি হবে? এই সব উত্তরের জন্য চোখ রাখুন ‘কথা’-র আজকের পর্বে!