“বাজেটে বাংলা ব্রাত্য!” ক্যা*ন্সারের ওষুধ সস্তা হলেও, সাধারণ মানুষের স্বস্তি কতটা? কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে কী বলছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ?

কেন্দ্রীয় বাজেট প্রকাশের পর দেশজুড়ে যেমন সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা আশা আর হিসেব নিকেশ শুরু হয়েছে তেমনই বিনোদন দুনিয়ার তারকারাও নিজেদের মতামত জানাতে পিছিয়ে থাকেননি। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম, ওষুধের খরচ, আয়করের চাপ কমবে কি না এই সব বিষয়ই মানুষের প্রধান চিন্তার জায়গা। এ বছরের বাজেটেও কিছু পণ্যের দাম কমানোর ঘোষণা যেমন রয়েছে তেমনই কিছু ক্ষেত্রে বাড়তির ইঙ্গিতও মিলেছে। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা ঘিরে রয়েছে বাংলার জন্য বিশেষ ঘোষণার অভাব।

তৃণমূল সাংসদ ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বাজেট নিয়ে স্পষ্ট হতাশা প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে পশ্চিমবঙ্গের জন্য প্রত্যাশিত কোনও বড় ঘোষণা এই বাজেটে দেখা যায়নি। তিনি মনে করেন সাধারণ মানুষের আয়কর ও জিএসটি নিয়ে কিছুটা স্বস্তির ব্যবস্থা হলে মানুষের উপকার হত। শিল্পী বা রাজনীতিবিদ নয় বরং সাধারণ নাগরিকদের কথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন ছিল বলেই তাঁর অভিমত। একটি মাত্র নতুন ট্রেন চালু হওয়াকে তিনি যথেষ্ট বলে মনে করছেন না।

অন্যদিকে বিজেপি নেতা ও অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ বাজেটকে যুক্তিসঙ্গত এবং আশাব্যঞ্জক বলেই ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে ক্যানসারের একাধিক ওষুধের দাম কমানো একটি বড় পদক্ষেপ। পাশাপাশি সোলার প্যানেল মোবাইল ব্যাটারি এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের নানা জিনিসের দাম কমার ঘোষণাকে তিনি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। ব্যবসা ও পর্যটনের উন্নয়নের লক্ষ্যে করিডর তৈরির পরিকল্পনাকেও তিনি ভবিষ্যতের জন্য সম্ভাবনাময় বলে মনে করছেন।

রুদ্রনীলের বক্তব্য অনুযায়ী কলকাতা মেট্রো সহ বাংলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে অর্থ বরাদ্দ রাজ্যের উন্নয়নের ইঙ্গিত বহন করে। বিশেষ করে মহিলাদের স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে চালু হওয়া প্রকল্পগুলিকে তিনি বাজেটের অন্যতম শক্তিশালী দিক হিসেবে দেখছেন। মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে হস্টেল নির্মাণের পরিকল্পনাও তাঁর মতে সামাজিক উন্নয়নের বড় পদক্ষেপ। তাঁর বিশ্বাস এই বাজেট দীর্ঘমেয়াদে পূর্ব ভারতের অর্থনীতিকে গতি দেবে।

আরও পড়ুনঃ “মাসে ১৫ কেজিতেও হবে না, ৩০ কেজি চাল লাগবে ও এলে!” বিয়ে এখনও বাকি, আংটিবদল হতেই শ্বশুরবাড়ির খোঁচা শুনতে হচ্ছে অভিনেত্রী অদ্রিজা রায়কে?

তবে বাম নেতা ও অভিনেতা দেবদূত ঘোষের দৃষ্টিভঙ্গি অনেকটাই প্রশ্নমুখী। ওষুধের দাম কমানোকে স্বাগত জানালেও বাস্তবে সাধারণ মানুষ কতটা উপকৃত হবেন তা নিয়ে তাঁর সন্দেহ রয়েছে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন নিয়মিত ওষুধ কেনার খরচে তেমন স্বস্তি মেলেনি। শিক্ষাখাত এবং গবেষণার সুযোগ নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে মধ্যবিত্ত ও সাধারণ মানুষের প্রকৃত স্বস্তির জন্য আরও বিস্তৃত পরিকল্পনার প্রয়োজন ছিল।

You cannot copy content of this page