বিনোদন জগত সবসময়ই নতুন প্রতিভার খোঁজে থাকে। চলচ্চিত্র, টেলিভিশন এবং থিয়েটারের দুনিয়ায় অনেকেই স্বপ্ন নিয়ে পা রাখেন, কিন্তু সবাই সফল হয় না। অনেকের ক্ষেত্রে প্রতিভা, কঠোর পরিশ্রম এবং ভাগ্যের সমন্বয়ই বড় ভূমিকা রাখে। দর্শকরা শুধু রোমাঞ্চ বা হাসি খুঁজে পায় না, তারা সেই শিল্পীর সংগ্রাম এবং পরিশ্রমকেও মনে রাখেন, যা তাদের পছন্দের চরিত্রগুলিকে জীবন্ত করে তোলে। এমনই একজন তারকা হলেন দেবশঙ্কর হালদার।
দেবশঙ্কর হালদার শুধু একজন অভিনেতা নয়, তিনি নাট্য পরিচালক, নাট্য লেখক হিসেবেও পরিচিত। ছোটপর্দায়ও তিনি দর্শককে মুগ্ধ করেছেন। তবে তার অভিনয়ের যাত্রা সহজ ছিল না। বাবা যাত্রা জগতে থাকলেও, দেবশঙ্করের নিজের ইচ্ছে ছিল ফুটবলার বা লেখক হওয়ার। কিন্তু ভাগ্যের খেলায় একদিন সেই অজানা পথ তাকে অভিনয়ের স্টেজে নিয়ে আসে।
কলেজ পাস করার পর বোটানি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন দেবশঙ্কর। অভিনয়ের কোনো প্রাক-প্রশিক্ষণ না থাকায় প্রথমে মনে হয়েছিল এই পথ তার নয়। একদিন তিনি ছোট একটি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে থিয়েটারের ট্রায়ালে অংশ নেন। ৩০০-৪০০ প্রার্থীর মধ্যে নির্বাচিত হন মাত্র একজোড়া চোখে। এখানেই তার ভাগ্য পরিবর্তনের প্রথম দিক।
নির্বাচিত হওয়ার পর অভিনেতার কঠোর মাসের ট্রেনিং শুরু করেন। তার প্রথম নাটক ছিল ‘ফুটবল’, যেখানে একটি ছোট অংশই ছিল। কিন্তু এই ছোট ভূমিকা তার জীবনের বড় পদক্ষেপ হিসেবে প্রমাণিত হয়। শ্যামবাজারের নান্দীকার থিয়েটারের মঞ্চে তিনি প্রথম নিজের প্রতিভার স্বীকৃতি পান।
আরও পড়ুনঃ ব্যস্ত শিডিউলে প্রেমের সময় নেই, কাজই এখন কৌশানীর জীবন! বনি সেনগুপ্তের সঙ্গে বিয়ের পরিকল্পনা বাতিল করলেন অভিনেত্রী? লাগাতার সাফল্যই কি দূরে ঠেলে দিচ্ছে প্রেমিকের থেকে?
দিন যত যায়, দেবশঙ্কর হালদার বিভিন্ন বিখ্যাত নাট্যদল এবং মঞ্চের সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি শুধু অভিনয় নয়, নাট্য পরিচালনা ও লেখা ক্ষেত্রেও নিজেকে প্রমাণ করেছেন। ছোটপর্দায়ও তার অভিনয় দর্শকের মনে স্থান করে নিয়েছে। আজ দেবশঙ্কর হালদার শুধুই একজন অভিনেতা নয়, তিনি একটি জীবন্ত উদাহরণ যেভাবে প্রতিভা, পরিশ্রম এবং ধৈর্য মিলিয়ে নিজের স্বপ্নের রঙ বাস্তবায়িত করা যায়।






“বাংলা ইন্ডাস্ট্রির একমাত্র সুন্দরী নায়িকা কৌশানি, মা দুর্গার থেকেও বেশি সুন্দরী!” বেনারসি শাড়ি, গা ভর্তি সোনার গয়নায় হবু বৌমা, প্রশংসায় খেই হারিয়ে মন্তব্য পিয়া সেনগুপ্তর! ছেলে বনি আবার ঘুরছেন আঁচল ধরে! ‘হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারছি না’, ‘আপনার থেকে সুন্দরী কেউ হতে পারে?’ ‘এমন শাশুড়ি আমাকেও দিও ভগবান’ নেটপাড়ায় তুমুল হাসাহাসি!