গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড ছেড়ে ভোটের মাঠে! শাসকদলের রাজনীতিতে পা রাখতে চলেছেন ঋত্বিকা? ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে ঋত্বিকাকে ডাকা ঘিরে জোর জল্পনা! কি জানালেন অভিনেত্রী?

টলিউডের গ্ল্যামার থেকে খানিক দূরে এখন অভিনেত্রী ‘ঋত্বিকা সেন’ (Rittika Sen)। যদিও একাধিক দক্ষিণী ছবিতে তাঁকে দেখা গিয়েছে সম্প্রতি। কাজ করেছেন ওটিটির বাংলা সিরিজেও। অভিনয়ের বাইরে গিয়ে রাজনীতির (Politics) মঞ্চেও তাঁর নাম জড়াতে শুরু করে চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে। শুরু হয় জল্পনা, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শাসকদলের হয়ে দাঁড়াতে পারেন ঋত্বিকা! যদিও তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, এসব নিছকই গুজব। কিন্তু সেই গুঞ্জনেই ফের ইন্ধন জোগাচ্ছে নতুন খবর।

এই বছর ২১ জুলাইয়ের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে কোনও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখা যেতে পারে ঋত্বিকাকে—এমন জল্পনাই ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকের ধারণা, এবার হয়তো তাঁকে দলে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হবে। যদিও এ কথা এখনও তৃণমূলের কোনও শীর্ষ নেতৃত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে বলেননি। তবে অতীতে টলিউডের বহু অভিনেতা-অভিনেত্রীই রাজনীতির মঞ্চে এসেছেন এবং অনেকেই সফল হয়েছেন।

এই নজিরকে সামনে রেখেই এবার ঋত্বিকার নাম ঘিরে জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে। দেব, মিমি, নুসরত, রচনা, রাজ—তালিকাটা বেশ লম্বা। কেউ কেউ সাংসদ হয়েছেন, কেউ বিধায়ক, কেউ কাউন্সিলরও। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এই তালিকায় এবার নাম লেখাবেন কি ঋত্বিকা? যদিও এখনই তিনি রাজনীতির মাঠে নামার কোনও ইঙ্গিত দেননি। আগেও যেমন নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন, এখনও তেমনই বলছেন যে, রাজনীতি তাঁর এখনকার লক্ষ্য নয়।

বরং এখন কাজ নিয়ে তিনি ব্যস্ত, নিজের মতো করে সময় কাটাতে চান। এই প্রসঙ্গে সংবাদ মাধ্যমের তরফে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে ঋত্বিকা স্পষ্ট বলেন, “আমি কোনও গুঞ্জন ছড়াইনি। বরং আমাকে ঘিরে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আমার বক্তব্য আগেও এক ছিল, এখনও এক—আমি রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছি না।” তিনি আরও জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তা সৌজন্যের জায়গা থেকেই, তার মানে এই নয় যে তিনি রাজনৈতিক দায়িত্ব নিতে চলেছেন।

আরও পড়ুনঃ “স্যানিটারি ন্যাপকিনের বিজ্ঞাপন চললে আমার লজ্জা করে!” “লাল রঙ দিয়ে বোঝাতে হবে কেন? প্রয়োজনীয় হলেও সবকিছু দেখানোর ধরন থাকা উচিত!”— চন্ডালিকার পর ঋতুস্রাব নিয়ে মন্তব্যে ফের আলোচনায় মমতা শঙ্কর!

তবে ভবিষ্যতে যদি সুযোগ আসে, তখন পরিস্থিতি বুঝে তিনি চিন্তা করবেন বলেই জানান অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, “রাজনীতি বুঝতে গেলে বয়স, অভিজ্ঞতা, সময়—সব কিছুর প্রয়োজন হয়। আমি এখনো সে জায়গায় পৌঁছইনি। তবে যদি কোনও দিন সুযোগ আসে, অবশ্যই সেটা বিবেচনা করব।” আপাতত তাই রাজনীতি থেকে দূরত্ব বজায় রেখেই নিজস্ব গতি বজায় রাখতে চান ঋত্বিকা। তবে অভিনেত্রীর উত্তরে ধোঁয়াশা থেকেই গেল।

Disclaimer: এই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত মতামত, মন্তব্য বা বক্তব্যসমূহ সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত অভিব্যক্তি মাত্র। এটি আমাদের পোর্টালের মতামত বা অবস্থান নয়। কারও অনুভূতিতে আঘাত করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়, এবং এতে প্রকাশিত মতামতের জন্য আমরা কোনো প্রকার দায়ভার গ্রহণ করি না।

You cannot copy content of this page