‘বিগ বস বাংলা’র ঘর থেকে মাত্র তিন সপ্তাহের মাথায় বিদায় নিয়েছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। দর্শকদের ভোট কম পাওয়ায় তাঁর যাত্রা থেমে গেলেও বেরিয়ে আসার পরও তাঁকে নিয়ে আলোচনা কমেনি। বরং ঘর থেকে বেরিয়েও বিগ বসের নানা অন্দরকাহিনি নিয়ে মুখ খুলেছেন এই অভিনেতা ও সোশ্যাল মিডিয়া ক্রিয়েটর। শোয়ে থাকাকালীন তাঁর শান্ত স্বভাব এবং ঝামেলা থেকে দূরে থাকার বিষয়টিও নজর কেড়েছিল। সেই কারণেই অনেক দর্শক তাঁর দ্রুত বিদায় মেনে নিতে পারেননি। সায়ক নিজেও জানিয়েছেন, শুধু ক্যামেরায় দেখানোর জন্য তিনি জোর করে কোনও ঝামেলায় জড়াতে চাননি। এবার সেই সায়ককেই নাকি আবার বিগ বসের ঘরে দেখা যেতে পারে, এমনই নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।
চলতি সিজনে প্রথম থেকেই সায়ক ছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচিত মুখদের মধ্যে অন্যতম। অভিনয়, ব্লগিং এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কাজের সুবাদে আগে থেকেই তাঁর পরিচিতি ছিল। বিগ বসের মঞ্চে তাঁকে দশম প্রতিযোগী হিসেবে পরিচয় করানো হয়েছিল। গ্র্যান্ড প্রিমিয়ারে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথোপকথনেও সায়ক নিজের স্বভাবসিদ্ধ চঞ্চলতা দেখিয়েছিলেন। শোয়ে ঢোকার আগে তাঁর কিছু পুরনো বিতর্কও আলোচনায় এসেছিল। একটি রেস্তরাঁয় মাংস সংক্রান্ত অভিযোগ এবং বন্ধু দেবলীনা নন্দীর হাসপাতালে গিয়ে ভিডিও করার ঘটনা নিয়েও তিনি বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। তবে বিগ বসের ঘরে গিয়ে তুলনামূলক শান্ত থেকে খেলার চেষ্টা করাই তাঁর পরিচিতির অন্যতম দিক হয়ে ওঠে।
বিগ বসের ঘরে সায়কের সবচেয়ে বেশি চর্চিত বিষয়গুলির একটি ছিল তাঁর সম্পর্ক এবং অন্য প্রতিযোগীদের সঙ্গে ব্যবহার। রাজবীর দে ওয়াইল্ড কার্ড হিসেবে ঢোকার পর তাঁকে নিয়েও সায়কের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল। ক্যাপ্টেন্সি নিয়ে টানাপোড়েনের সময় সায়ক রাজবীরের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া প্রতিযোগীদের মধ্যে ছিলেন। আবার ঘর থেকে বেরিয়ে সায়ক সৃজলা গুহ এবং দুর্নিবার সাহার খেলা নিয়েও নিজের মতামত জানিয়েছেন। তাঁর মতে, দুর্নিবারকে তিনি অন্যতম শক্তিশালী প্রতিযোগী হিসেবে দেখেছিলেন। অন্যদিকে সৃজলার খেলা নিয়ে তাঁর মন্তব্যও নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়। ফলে ঘর ছাড়ার পরেও বিগ বস বাংলার সঙ্গে সায়কের যোগাযোগ এবং তাঁর মন্তব্য দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রে থেকেছে।
সায়কের এলিমিনেশন ঘিরে সেই সময়েও দর্শকদের একাংশের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছিল। তাঁকে ‘ঘরের ছেলে’ হয়ে উঠতে দেখা গিয়েছিল বলেও অনেকে মন্তব্য করেছিলেন। বেরিয়ে এসে অবশ্য সায়ক নিজেই জানিয়েছিলেন, বিগ বসের ঘর থেকে বেরিয়ে তিনি মন খারাপ করেননি। বরং পরিবারের সঙ্গে জন্মদিন পালন করে বেশ খুশি ছিলেন তিনি। শোয়ের ভিতরের কিছু অভিজ্ঞতা এবং নিজের বেরিয়ে আসার কারণ নিয়েও তিনি কথা বলেছিলেন। এখন তাঁর নতুন একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট সেই পুরনো আলোচনা আবার উসকে দিয়েছে। ফলে মনে করা হচ্ছে, শোয়ের মাঝপথে ফের কোনও চমক দিয়ে ওয়াইল্ড কার্ড হিসেবে সায়ককে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি চলছে।
আরও পড়ুনঃ “আমি ওঁর স্ত্রী, মা নই!” “কী ভীষণ বাজে ছেলে…কন্ট্রোল করার চেষ্টা করি না!” গোপন মন্ত্র ফাঁস, টলিউডের ভাঙা সম্পর্কের ভিড়ে দুই দশক পেরিয়েও সফল দাম্পত্য শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ও মহুয়ার! প্রথম দেখাতেই কেন রেগে গিয়েছিলেন তিনি, অভিনেতাকে কেন সহ্য করতে পারতেন না? জানেন, বিরক্তি বদলে কীভাবে শুরু হয়েছিল তাঁদের প্রেম?
সায়কের এই প্রত্যাবর্তন সত্যি হলে ‘বিগ বস বাংলা’র চলতি খেলায় নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। কারণ তিনি আগেই ঘরের সদস্যদের সঙ্গে বেশ কিছু সম্পর্ক এবং মতবিরোধ তৈরি করে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। ফলে দ্বিতীয়বার ঢুকলে পুরনো অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার আরও অন্যভাবে খেলতে পারেন তিনি। বিশেষ করে রাজবীর, নন্দিনী, সৃজলা, দুর্নিবারদের সঙ্গে তাঁর আগের পরিচিতি নতুন করে কাজে লাগতে পারে। তবে এখনও নির্মাতাদের তরফে তাঁর প্রত্যাবর্তন নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা সামনে আসেনি। এর মধ্যেই সায়ক নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “কে কে চাও যে আমি আবার বিগ বস বাংলাতে ব্যাক করি?” এই পোস্টের পরই তাঁর ওয়াইল্ড কার্ড প্রত্যাবর্তন নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে।






“বাঙালি মায়েরা মুস*লিম মায়ের মতো বিরিয়ানি বানাতেই পারে না…ঈদে ওদের সঙ্গে বসে একই থালায় খাই”, “শুভেন্দু অধিকারী কে? এখনও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যই আমাদের মুখ্যমন্ত্রী!” দুর্গাপুজোর আবহে একের পর এক বড় মন্তব্য মৌসুমী ভট্টাচার্যের! ‘ওদের হাতের বিরিয়ানি তো স্বাদ হবেই থু*তু ছিটিয়ে রান্না করে’, ‘আসল কথা বলুন বি*ফ ভালো রান্না করে, ওটাই খেতে যান’ নেটপাড়ায় কটাক্ষবিদ্ধ অভিনেত্রী!